অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগ

ডেস্ক: ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাচার করেছেন। অভিযোগ ওঠার পর বৃহস্পতিবার তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাচার হওয়ার খবর প্রকাশ পাওয়ার পর সমস্ত ভারত জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্ট (ডিএসপি) পদমর্যাদার ওই ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত ডিএসপি’র নাম তানভীর আহমেদ। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে যে, আর্মড পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কর্মরত এই পুলিশ কর্মকর্তা টেলিফোনে গোয়েন্দাদের খবর পাঠাতেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে জম্মু কাশ্মির পুলিশ বরাবর তথ্য পাঠানোর পর সেখানকার ডিজিপি কে. রাজেন্দ্র কুমার বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

তানভীর অবশ্য দাবি করেছেন, মাসখানেক আগে সেনা কমান্ডার পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাকে ফোন করেছিল। তখন তার কাছে উপত্যকায় কোথায় কোথায় কত সংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সেনারা মোতায়েন রয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়েই এ ব্যাপারে তথ্য দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তানভীর।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াট’স অ্যাপ ব্যবহার করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জানিয়েছিলেন বরখাস্তকৃত ডিএসপি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নজরে সেই নাম্বরটি আসায় তদন্ত শুরু করে তারা। তারপরেই সামনে আসে তথ্য পাচারের বিষয়টি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাশ্মিরের পুলিশ কর্মকর্তারা গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত পাকিস্তান থেকে ফোন পাচ্ছেন। যারা ফোন করে তার কাছে তারা সাধারণত নিজেদেরকে ভারতের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয় তারপর জানতে চায় নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্য।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৬

ডেস্ক: ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাচার করেছেন। অভিযোগ ওঠার পর বৃহস্পতিবার তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানি গোয়েন্দাদের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য পাচার হওয়ার খবর প্রকাশ পাওয়ার পর সমস্ত ভারত জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ডেপুটি সুপারিটেন্ডেন্ট (ডিএসপি) পদমর্যাদার ওই ভারতীয় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত ডিএসপি’র নাম তানভীর আহমেদ। সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে যে, আর্মড পুলিশ কন্ট্রোল রুমে কর্মরত এই পুলিশ কর্মকর্তা টেলিফোনে গোয়েন্দাদের খবর পাঠাতেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে জম্মু কাশ্মির পুলিশ বরাবর তথ্য পাঠানোর পর সেখানকার ডিজিপি কে. রাজেন্দ্র কুমার বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

তানভীর অবশ্য দাবি করেছেন, মাসখানেক আগে সেনা কমান্ডার পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাকে ফোন করেছিল। তখন তার কাছে উপত্যকায় কোথায় কোথায় কত সংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সেনারা মোতায়েন রয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়েই এ ব্যাপারে তথ্য দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন তানভীর।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াট’স অ্যাপ ব্যবহার করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জানিয়েছিলেন বরখাস্তকৃত ডিএসপি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নজরে সেই নাম্বরটি আসায় তদন্ত শুরু করে তারা। তারপরেই সামনে আসে তথ্য পাচারের বিষয়টি।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কাশ্মিরের পুলিশ কর্মকর্তারা গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত পাকিস্তান থেকে ফোন পাচ্ছেন। যারা ফোন করে তার কাছে তারা সাধারণত নিজেদেরকে ভারতের অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয় তারপর জানতে চায় নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্য।