পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

ছাতকে রোপা-আমনের বাম্পার ফলন

ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকে চলতি বছরে রোপা-আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা এখন মাঠে দিনভর ধান কাটা ও মাড়াই-ঝাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার রোপা-আমনের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক লক্ষ্য করা গেছে। নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে এখানে গ্রামে-গ্রামে চলছে স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তোলার কাজ। চলতি মৌসুমে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে দ্বিগুনের চেয়ে বেশী উৎপাদন হয়েছে।

দোলারবাজারের কৃষক নজরুল ইসলাম, কালারুকার নুর উদ্দিন, নোয়ারাই সাহবাজ মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা বা খরায় ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। যথাযথ পরিচর্যা ও সময়মত সার ব্যবহার করায় ফসল আশানুরূপ হয়েছে। অধিক ফসল উৎপাদনে এখানের কৃষকরা কৃষি ক্ষেত্রে নিয়েছে একাধিক প্রশিক্ষন। ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও পর্যাপ্ত সার প্রয়োগের ফলেই তারা কাংখিত ফসল ঘরে তুলতে পারছে। কৃষি অফিসের হিসেব অনুযায়ী চলতি মৌসুমে ৪হাজার ২শ’২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলেও ৯হাজার ৫শ’২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান অর্জিত হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫হাজার ৩শ’ হেক্টর অধিক জমিতে আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপসী জাতীয় চাষাবাদ করা হয়েছে ৬হাজার ৪শ’ ৭০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হাজার ৫০হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদ করা হয়েছে।

উপসী জাতীয় বিআর-১১ চাষ ৩হাজার ৮শ’৫৫ হেক্টর, বিআর-২০ চাষ ২শ’৮৮ হেক্টর ও বিআর-২২ চাষ ২শ’ ২২হেক্টর, পাজাম জাতীয় ৩৫ হেক্টর, ব্রি ধান-৩২ চাষ ৮৭ হেক্টর, ব্রি ধান-৩৪ চাষ সুগন্ধি ৮হেক্টর, ব্রি ধান-৩৯ চাষ ১শ’১৫ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৪৯ চাষ ৯শ’ ৯০ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৫২ চাষ ৮শ’৬০ হেক্টর, এবং বিনা ধান-১১ চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের মধ্যে লতি সাইল ২১০ হেক্টর, গান্ধি ৫হেক্টর, চেংগের মুড়ি ৭শ’৯৬ হেক্টর, মালতী ৩শ’১২ হেক্টর, গোয়ারচর ৪শ’৬১হেক্টর, কালিজিরা ৫শ’৭০ হেক্টর, ময়না সাইল ৩শ’হেক্টর, বিরুইন সুগন্ধি ৩শ’৪৪ হেক্টর, তুলসী মালা ১২ হেক্টর ও নাজির সাইল ৪০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কেএম বদরুল হক জানান, কৃষকরাও তাদের প্রশিক্ষন ফসলের মাঠে কাজে লাগিয়েছেন বলেই ভালো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে

Tag :
লেখক সম্পর্কে

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

ছাতকে রোপা-আমনের বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ০৪:০০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬

ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকে চলতি বছরে রোপা-আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা এখন মাঠে দিনভর ধান কাটা ও মাড়াই-ঝাড়াই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার রোপা-আমনের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক লক্ষ্য করা গেছে। নবান্ন উৎসবকে সামনে রেখে এখানে গ্রামে-গ্রামে চলছে স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তোলার কাজ। চলতি মৌসুমে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে দ্বিগুনের চেয়ে বেশী উৎপাদন হয়েছে।

দোলারবাজারের কৃষক নজরুল ইসলাম, কালারুকার নুর উদ্দিন, নোয়ারাই সাহবাজ মিয়াসহ একাধিক কৃষক জানান, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা বা খরায় ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়নি। যথাযথ পরিচর্যা ও সময়মত সার ব্যবহার করায় ফসল আশানুরূপ হয়েছে। অধিক ফসল উৎপাদনে এখানের কৃষকরা কৃষি ক্ষেত্রে নিয়েছে একাধিক প্রশিক্ষন। ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও পর্যাপ্ত সার প্রয়োগের ফলেই তারা কাংখিত ফসল ঘরে তুলতে পারছে। কৃষি অফিসের হিসেব অনুযায়ী চলতি মৌসুমে ৪হাজার ২শ’২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলেও ৯হাজার ৫শ’২০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধান অর্জিত হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫হাজার ৩শ’ হেক্টর অধিক জমিতে আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপসী জাতীয় চাষাবাদ করা হয়েছে ৬হাজার ৪শ’ ৭০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হাজার ৫০হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদ করা হয়েছে।

উপসী জাতীয় বিআর-১১ চাষ ৩হাজার ৮শ’৫৫ হেক্টর, বিআর-২০ চাষ ২শ’৮৮ হেক্টর ও বিআর-২২ চাষ ২শ’ ২২হেক্টর, পাজাম জাতীয় ৩৫ হেক্টর, ব্রি ধান-৩২ চাষ ৮৭ হেক্টর, ব্রি ধান-৩৪ চাষ সুগন্ধি ৮হেক্টর, ব্রি ধান-৩৯ চাষ ১শ’১৫ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৪৯ চাষ ৯শ’ ৯০ সুগন্ধি, ব্রি ধান-৫২ চাষ ৮শ’৬০ হেক্টর, এবং বিনা ধান-১১ চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের মধ্যে লতি সাইল ২১০ হেক্টর, গান্ধি ৫হেক্টর, চেংগের মুড়ি ৭শ’৯৬ হেক্টর, মালতী ৩শ’১২ হেক্টর, গোয়ারচর ৪শ’৬১হেক্টর, কালিজিরা ৫শ’৭০ হেক্টর, ময়না সাইল ৩শ’হেক্টর, বিরুইন সুগন্ধি ৩শ’৪৪ হেক্টর, তুলসী মালা ১২ হেক্টর ও নাজির সাইল ৪০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কেএম বদরুল হক জানান, কৃষকরাও তাদের প্রশিক্ষন ফসলের মাঠে কাজে লাগিয়েছেন বলেই ভালো ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে