পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

ডেস্কঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হালাবি (৬০) কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ফজরের নামাজের আজান দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

৬০ বছর বয়সী আবদুল হক আল-হালাবি ফজরের আজানের কিছু সময় আগে আজানের ওয়াক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষ করছিলেন। এ অপেক্ষার সময়টিতে মসজিদে বসে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। কুরআন তেলাওয়াতে বসা অবস্থায় ঠিক আজানের আগ মুহূর্তে ইন্তেকাল করেন তিনি।

সিরিয়ার বংশোদ্ভূত আল-হালাবি ৪০ বছর আগে সৌদি আরব এসে বসবাস শুরু করেন। তিনি মসজিদেই বেশি সময় অতিবাহিত করতেন এবং কুরআন তেলাওয়াত করতেন। এ এক সৌভাগ্যের মৃত্যু। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত দান করুন।

পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। সবাইকেই আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। আর এ মৃত্যুই হচ্ছে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম।

মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হাবিবই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যিনি আজানের অপেক্ষায় থাকাকালীন সময়ে কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

আসুন! আমরা আমাদের নিজেদের জীবনের দিকে নজর দেই। নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করি আখেরাতের জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলাম এবং কুরআনের ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। মৃত্যুর আগে পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করার তাওফিক দান করুন। কল্যাণময় মৃত্যু দান করুন। আমিন।

আরো পড়ুন- কাশ্মীরে তরুণকে গুলি করে হত্যা, আবারো আন্দোলন

ভারতের কাশ্মীরে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে ভারতীয় সৈন্যরা এক তরুণ কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করেছে। বুধবার (১৩ মে) এই ঘটনা ঘটে।এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, কর্মকর্তা এবং ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ফের শুরু হয়েছে ভারত-বিরোধী আন্দোলন।

ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এই অঞ্চলের প্রধান শহর শ্রীনগরের পশ্চিম উপকূলে দুটি চেকপোস্টে তাকে থামার জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়।

এমন সময় আবার পাশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর একটি দল যাচ্ছিল। নাশকতার আশঙ্কা থেকেই তাকে গুলি করা হয়। তাকে সতর্ক করার পরও না থামায় গুলি করেছে এক সেনা সদস্য।

তবে ওই তরুণের বাবা ও স্থানীয়দের দাবি পুরোপুরি উল্টো। ভুক্তভোগীর বাবা গোলাম নবী শাহ পুলিশে দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, তার ছেলে নিরাপত্তা চৌকি দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সৈন্যরা প্রথমে তাকে থামায়। পরে তাকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই ঘটনার খবর ওই গ্রামগুলোতে পৌঁছে গেলে শুরু হয় আন্দোলন। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। শুরু হয় মুক্তির শ্লোগান। তারা এক হয়ে বলতে থাকেন, ‘গো ইন্ডিয়া, গো ব্যাক’ এবং ‘উই ওয়ান্ট ফ্রিডম’।

ওই তরুণের মরদহে ফেরৎ নিতেও তারা বিক্ষোভ করেন। তারা তরুণের মরদেহ কবর দেওয়ার জন্য ফেরৎ চান। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তার মরদেহ ফেরৎ দেয়নি।বিক্ষেভ চলাকালে সরকারি বাহিনী গ্রামবাসীদের মিছিল করতে বাধা দেয়।

কিন্তু গ্রামবাসী চালিয়ে যায়। তারা সেনা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। সরকারি বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে শটগান থেকে গুলি এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে এখনো হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিক্ষেভের পর থেকে কর্তৃপক্ষ ওই অঞ্চলের মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মার্চ মাসের শেষের দিকে থেকে ভারতীয় বাহিনী এই অঞ্চলে কঠোর লকডাউন ব্যবস্থা আরোপ করেছে। লকডাউন সত্ত্বেও ভারতীয় বাহিনী কাশ্মীরে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ধরছে স্বাধীনতাকামীদের। আর এবার সরাসরি এক কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

সূত্র: এবিসি নিউজ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৯:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

ডেস্কঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হালাবি (৬০) কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ফজরের নামাজের আজান দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

৬০ বছর বয়সী আবদুল হক আল-হালাবি ফজরের আজানের কিছু সময় আগে আজানের ওয়াক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষ করছিলেন। এ অপেক্ষার সময়টিতে মসজিদে বসে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। কুরআন তেলাওয়াতে বসা অবস্থায় ঠিক আজানের আগ মুহূর্তে ইন্তেকাল করেন তিনি।

সিরিয়ার বংশোদ্ভূত আল-হালাবি ৪০ বছর আগে সৌদি আরব এসে বসবাস শুরু করেন। তিনি মসজিদেই বেশি সময় অতিবাহিত করতেন এবং কুরআন তেলাওয়াত করতেন। এ এক সৌভাগ্যের মৃত্যু। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত দান করুন।

পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। সবাইকেই আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। আর এ মৃত্যুই হচ্ছে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম।

মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হাবিবই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যিনি আজানের অপেক্ষায় থাকাকালীন সময়ে কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

আসুন! আমরা আমাদের নিজেদের জীবনের দিকে নজর দেই। নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করি আখেরাতের জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলাম এবং কুরআনের ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। মৃত্যুর আগে পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করার তাওফিক দান করুন। কল্যাণময় মৃত্যু দান করুন। আমিন।

আরো পড়ুন- কাশ্মীরে তরুণকে গুলি করে হত্যা, আবারো আন্দোলন

ভারতের কাশ্মীরে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে ভারতীয় সৈন্যরা এক তরুণ কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করেছে। বুধবার (১৩ মে) এই ঘটনা ঘটে।এনিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, কর্মকর্তা এবং ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। ফের শুরু হয়েছে ভারত-বিরোধী আন্দোলন।

ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এই অঞ্চলের প্রধান শহর শ্রীনগরের পশ্চিম উপকূলে দুটি চেকপোস্টে তাকে থামার জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়।

এমন সময় আবার পাশ দিয়ে সামরিক বাহিনীর একটি দল যাচ্ছিল। নাশকতার আশঙ্কা থেকেই তাকে গুলি করা হয়। তাকে সতর্ক করার পরও না থামায় গুলি করেছে এক সেনা সদস্য।

তবে ওই তরুণের বাবা ও স্থানীয়দের দাবি পুরোপুরি উল্টো। ভুক্তভোগীর বাবা গোলাম নবী শাহ পুলিশে দাবি নাকচ করে দিয়ে জানান, তার ছেলে নিরাপত্তা চৌকি দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। সৈন্যরা প্রথমে তাকে থামায়। পরে তাকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই ঘটনার খবর ওই গ্রামগুলোতে পৌঁছে গেলে শুরু হয় আন্দোলন। হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। শুরু হয় মুক্তির শ্লোগান। তারা এক হয়ে বলতে থাকেন, ‘গো ইন্ডিয়া, গো ব্যাক’ এবং ‘উই ওয়ান্ট ফ্রিডম’।

ওই তরুণের মরদহে ফেরৎ নিতেও তারা বিক্ষোভ করেন। তারা তরুণের মরদেহ কবর দেওয়ার জন্য ফেরৎ চান। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তার মরদেহ ফেরৎ দেয়নি।বিক্ষেভ চলাকালে সরকারি বাহিনী গ্রামবাসীদের মিছিল করতে বাধা দেয়।

কিন্তু গ্রামবাসী চালিয়ে যায়। তারা সেনা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। সরকারি বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে শটগান থেকে গুলি এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে এখনো হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিক্ষেভের পর থেকে কর্তৃপক্ষ ওই অঞ্চলের মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মার্চ মাসের শেষের দিকে থেকে ভারতীয় বাহিনী এই অঞ্চলে কঠোর লকডাউন ব্যবস্থা আরোপ করেছে। লকডাউন সত্ত্বেও ভারতীয় বাহিনী কাশ্মীরে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ধরছে স্বাধীনতাকামীদের। আর এবার সরাসরি এক কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করেছে।

সূত্র: এবিসি নিউজ।