পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড। Logo বিআরটিএ সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি ৭ জনের Logo শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও গাছের চারা দিয়ে সংবর্ধনা Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক Logo লালমনিরহাটে শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: তিনজনকে কারাদণ্ড।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সাথে আলোচনা

ফারুক আহমেদ সুজন : সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে আলোচনা ও জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার (১৬-৩-২৪ইং) সকাল ১১ টায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) নূর মোহাম্মদ মজুমদার, সভাপতিত্ব করেন সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আজমল উদ্দিন আহম্মদ (সবুর), সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী, উপ পরিচালক মো: সানাউল হক, স্বদেশ কুমার দাস, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম,মোহাম্মদ আলী সুবা সভাপতি ঢাকা জেলা বাস মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন, আবুল কালাম সাধারণ সম্পাদক সায়েদাবাদ আন্ত: জেলা বাস মালিক সমিতি, কাজী সেলিম সরোয়ার সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়ন সহ আরো অনেকে। বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ড্রাইভার ও হেলপার দের আত্মীয়দের কাছে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নগদ টাকা বিআরটিএ চেয়ারম্যানের হাত দিয়ে বিতরণ করা হয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন একদিনেই পাওয়া যায়। গ্রাহক যেদিন গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় পাস করেন, সেদিনই অনলাইনে ফি জমার মাধ্যমে একটি ই-লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। সেটিই ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি দেখাতে হবে না। অনলাইন কপিই মোবাইলে সংরক্ষণ করে দেখালেই, তা গ্রহণযোগ্য হবে। ই-লাইসেন্সটাই এখন ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি পেতে ১৫/২০ দিন বা তারও বেশি সময় লাগলেও, গ্রাহক তার অনলাইনে প্রাপ্ত ই-লাইসেন্স দেখিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন। এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেশের বাহিরেও স্মার্ট কার্ড যেন না নেয়া লাগে, সেই লক্ষ্যেও কাজ করছি। যাতে করে গ্রাহকরা তাদের অনলাইনে প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়েই কাজ করতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সাথে আলোচনা

আপডেট টাইম : ০১:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

ফারুক আহমেদ সুজন : সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে আলোচনা ও জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার (১৬-৩-২৪ইং) সকাল ১১ টায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) নূর মোহাম্মদ মজুমদার, সভাপতিত্ব করেন সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আজমল উদ্দিন আহম্মদ (সবুর), সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী, উপ পরিচালক মো: সানাউল হক, স্বদেশ কুমার দাস, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম,মোহাম্মদ আলী সুবা সভাপতি ঢাকা জেলা বাস মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন, আবুল কালাম সাধারণ সম্পাদক সায়েদাবাদ আন্ত: জেলা বাস মালিক সমিতি, কাজী সেলিম সরোয়ার সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়ন সহ আরো অনেকে। বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ড্রাইভার ও হেলপার দের আত্মীয়দের কাছে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নগদ টাকা বিআরটিএ চেয়ারম্যানের হাত দিয়ে বিতরণ করা হয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন একদিনেই পাওয়া যায়। গ্রাহক যেদিন গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় পাস করেন, সেদিনই অনলাইনে ফি জমার মাধ্যমে একটি ই-লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। সেটিই ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি দেখাতে হবে না। অনলাইন কপিই মোবাইলে সংরক্ষণ করে দেখালেই, তা গ্রহণযোগ্য হবে। ই-লাইসেন্সটাই এখন ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি পেতে ১৫/২০ দিন বা তারও বেশি সময় লাগলেও, গ্রাহক তার অনলাইনে প্রাপ্ত ই-লাইসেন্স দেখিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন। এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেশের বাহিরেও স্মার্ট কার্ড যেন না নেয়া লাগে, সেই লক্ষ্যেও কাজ করছি। যাতে করে গ্রাহকরা তাদের অনলাইনে প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়েই কাজ করতে পারেন।