পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সাথে আলোচনা

ফারুক আহমেদ সুজন : সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে আলোচনা ও জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার (১৬-৩-২৪ইং) সকাল ১১ টায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) নূর মোহাম্মদ মজুমদার, সভাপতিত্ব করেন সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আজমল উদ্দিন আহম্মদ (সবুর), সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী, উপ পরিচালক মো: সানাউল হক, স্বদেশ কুমার দাস, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম,মোহাম্মদ আলী সুবা সভাপতি ঢাকা জেলা বাস মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন, আবুল কালাম সাধারণ সম্পাদক সায়েদাবাদ আন্ত: জেলা বাস মালিক সমিতি, কাজী সেলিম সরোয়ার সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়ন সহ আরো অনেকে। বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ড্রাইভার ও হেলপার দের আত্মীয়দের কাছে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নগদ টাকা বিআরটিএ চেয়ারম্যানের হাত দিয়ে বিতরণ করা হয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন একদিনেই পাওয়া যায়। গ্রাহক যেদিন গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় পাস করেন, সেদিনই অনলাইনে ফি জমার মাধ্যমে একটি ই-লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। সেটিই ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি দেখাতে হবে না। অনলাইন কপিই মোবাইলে সংরক্ষণ করে দেখালেই, তা গ্রহণযোগ্য হবে। ই-লাইসেন্সটাই এখন ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি পেতে ১৫/২০ দিন বা তারও বেশি সময় লাগলেও, গ্রাহক তার অনলাইনে প্রাপ্ত ই-লাইসেন্স দেখিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন। এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেশের বাহিরেও স্মার্ট কার্ড যেন না নেয়া লাগে, সেই লক্ষ্যেও কাজ করছি। যাতে করে গ্রাহকরা তাদের অনলাইনে প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়েই কাজ করতে পারেন।

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে বাস মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সাথে আলোচনা

আপডেট টাইম : ০১:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

ফারুক আহমেদ সুজন : সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে আলোচনা ও জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শনিবার (১৬-৩-২৪ইং) সকাল ১১ টায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) নূর মোহাম্মদ মজুমদার, সভাপতিত্ব করেন সায়েদাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি আজমল উদ্দিন আহম্মদ (সবুর), সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্, পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী, উপ পরিচালক মো: সানাউল হক, স্বদেশ কুমার দাস, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম,মোহাম্মদ আলী সুবা সভাপতি ঢাকা জেলা বাস মালিক শ্রমিক ইউনিয়ন, আবুল কালাম সাধারণ সম্পাদক সায়েদাবাদ আন্ত: জেলা বাস মালিক সমিতি, কাজী সেলিম সরোয়ার সাধারণ সম্পাদক ঢাকা জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ শ্রমিক ইউনিয়ন সহ আরো অনেকে। বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ড্রাইভার ও হেলপার দের আত্মীয়দের কাছে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে নগদ টাকা বিআরটিএ চেয়ারম্যানের হাত দিয়ে বিতরণ করা হয়। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার তার বক্তব্যে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স এখন একদিনেই পাওয়া যায়। গ্রাহক যেদিন গাড়ি চালানোর পরীক্ষায় পাস করেন, সেদিনই অনলাইনে ফি জমার মাধ্যমে একটি ই-লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। সেটিই ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি দেখাতে হবে না। অনলাইন কপিই মোবাইলে সংরক্ষণ করে দেখালেই, তা গ্রহণযোগ্য হবে। ই-লাইসেন্সটাই এখন ড্রাইভিং লাইসেন্স। হার্ড কপি পেতে ১৫/২০ দিন বা তারও বেশি সময় লাগলেও, গ্রাহক তার অনলাইনে প্রাপ্ত ই-লাইসেন্স দেখিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে পারবেন। এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা দেশের বাহিরেও স্মার্ট কার্ড যেন না নেয়া লাগে, সেই লক্ষ্যেও কাজ করছি। যাতে করে গ্রাহকরা তাদের অনলাইনে প্রাপ্ত লাইসেন্স দিয়েই কাজ করতে পারেন।