পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ছাত্রীকে কিনে নিয়ে বিয়ে!

বাংলার খবর২৪.কম500x350_2113b49160500dc4f6852dd774eff446_Picture-120141101001629 : ১২ লাখ টাকা দিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কিনে তারপর বিয়ে করলেন এক রাজনৈতিক নেতার ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর কাড্ডালোরে৷

১২ লাখ টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার পর, দুই পরিবারের সামনেই দুই সন্তানের বাবা বিপত্মীক বাবুর সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হয় ৷ দু`পক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সবটাই উতরে গিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ নিজের মেয়েকে ফেরত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মেয়েটির মা অখিলা৷

অখিলা (আসল নাম নয়) মাদ্রাস হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস মামলা করে মেয়েকে আদালতে তোলার আবেদন করেছেন৷ পেশায় আইনজীবী অখিলার বক্তব্য, মামলা মোকদ্দমার কারণে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার ছেলে বাবু তাদের বাড়িতে আসতেন৷ সেখানে তাদের মেয়েকে দেখে৷ তারপর বাবু তার ও তার স্বামী আদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য৷ অখিলার অভিযোগ, আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বাবু তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে৷ মেয়েকে তার সঙ্গে বিয়ে দিলে ১২ লাখ টাকার সম্পত্তি দেওয়ার কথাও বলেন।

একপ্রকার চাপে পড়েই তারা প্রাথমিকভাবে বাবুর শর্ত মেনে নেন বলে দাবি করেছেন অখিলা৷ অন্যদিকে, অখিলা ও আদেশের মেয়ে জানিয়েছে, তার বাবা-মা টাকার লোভে এই বিয়ে দিতে রাজি হয়েছেন।
বিয়ের পর অখিলা ও আদেশ জানতে পেরেছিলেন বাবুর আগের পক্ষের স্ত্রীর দুই সন্তান আছে৷ তারপরই আচমকা আদালতের দ্বারস্থ হন অখিলা৷
কাড্ডালার জেলার সমাজকল্যাণ দফতরের এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পেয়ে তিনি ছেলেটির বাড়িতে তদন্তে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু মেয়েটির উপর কোনো নির্যাতন হয়েছে বা তিনি খারাপ রয়েছেন এমন প্রমাণ পাননি৷

তাছাড়া সে নাবালিকা তার প্রমাণও পাননি তিনি৷ তবে পরবর্তীকালে মেয়েটির মা বার্থ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পর পুলিশের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে আনা হয় ৷ শীঘ্রই তাকে জেলা শিশুকল্যাণ দফতরে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ছাত্রীকে কিনে নিয়ে বিয়ে!

আপডেট টাইম : ০৩:০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম500x350_2113b49160500dc4f6852dd774eff446_Picture-120141101001629 : ১২ লাখ টাকা দিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কিনে তারপর বিয়ে করলেন এক রাজনৈতিক নেতার ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর কাড্ডালোরে৷

১২ লাখ টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার পর, দুই পরিবারের সামনেই দুই সন্তানের বাবা বিপত্মীক বাবুর সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হয় ৷ দু`পক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সবটাই উতরে গিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ নিজের মেয়েকে ফেরত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মেয়েটির মা অখিলা৷

অখিলা (আসল নাম নয়) মাদ্রাস হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস মামলা করে মেয়েকে আদালতে তোলার আবেদন করেছেন৷ পেশায় আইনজীবী অখিলার বক্তব্য, মামলা মোকদ্দমার কারণে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার ছেলে বাবু তাদের বাড়িতে আসতেন৷ সেখানে তাদের মেয়েকে দেখে৷ তারপর বাবু তার ও তার স্বামী আদেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য৷ অখিলার অভিযোগ, আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে বাবু তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে৷ মেয়েকে তার সঙ্গে বিয়ে দিলে ১২ লাখ টাকার সম্পত্তি দেওয়ার কথাও বলেন।

একপ্রকার চাপে পড়েই তারা প্রাথমিকভাবে বাবুর শর্ত মেনে নেন বলে দাবি করেছেন অখিলা৷ অন্যদিকে, অখিলা ও আদেশের মেয়ে জানিয়েছে, তার বাবা-মা টাকার লোভে এই বিয়ে দিতে রাজি হয়েছেন।
বিয়ের পর অখিলা ও আদেশ জানতে পেরেছিলেন বাবুর আগের পক্ষের স্ত্রীর দুই সন্তান আছে৷ তারপরই আচমকা আদালতের দ্বারস্থ হন অখিলা৷
কাড্ডালার জেলার সমাজকল্যাণ দফতরের এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পেয়ে তিনি ছেলেটির বাড়িতে তদন্তে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু মেয়েটির উপর কোনো নির্যাতন হয়েছে বা তিনি খারাপ রয়েছেন এমন প্রমাণ পাননি৷

তাছাড়া সে নাবালিকা তার প্রমাণও পাননি তিনি৷ তবে পরবর্তীকালে মেয়েটির মা বার্থ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পর পুলিশের সাহায্যে তাকে উদ্ধার করে আনা হয় ৷ শীঘ্রই তাকে জেলা শিশুকল্যাণ দফতরে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে৷