পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

১২ জঙ্গিকে সদস্যের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে ভারত

বাংলার খবর২৪.কম500x350_6baaae4e86ccff223c16648fb02279e9_terror ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত ১২ পলাতক জঙ্গিকে ধরিয়ে দিতে দেশটির জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) গতকাল শুক্রবার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের জন্য ১০ লাখ রুপি, তিনজনের জন্য পাঁচ লাখ এবং বাকি চারজনের জন্য তিন লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
এনআইএর ভাষ্য, ওই ১২ জন জঙ্গিই বাংলাদেশের নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। তাঁদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশের নাগরিক।
যাঁদের ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা হলেন পলাতক ইউসুফ শেখ, নাসিরুল্লা, সাজিদ, কাওসার ও তালহা শেখ। পাঁচ লাখ রুপি ঘোষণা করা হয়েছে জঙ্গি হাবিবুর রহমান শেখ, আমজাদ আলী শেখ ও হাতুড়ে চিকিৎসক শাহ নূর আলমের জন্য। তিন লাখ রুপি দেওয়া হবে পলাতক জঙ্গি বোরহান শেখ, রেজাউল করিম, আবুল কালাম ও জহিরুল শেখকে ধরিয়ে দিলে।
১২ জঙ্গির মধ্যে শাহ নূর আলম আসামের বরপেটা থেকে পলাতক। বাকি ১১ জন পালিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমান জেলা থেকে। এর মধ্যে চারজন বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁরা হলেন কাওসার, সাজিদ, হাবিবুর রহমান ও নাসিরুল্লা।
এনআইএ থেকে এঁদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণার পাশাপাশি এ কথাও জানিয়ে দিয়েছে, খোঁজ দেওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। একই সঙ্গে ই-মেইল আইডি ও টেলিফোন নম্বরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ২ অক্টোবর বর্ধমানের খাগড়াগড়ে জঙ্গিদের এক ডেরায় বিস্ফোরণ হলে সেখানে দুই জঙ্গির মৃত্যু হন। তাঁরা হলেন শাকিল আহমেদ ও সুবহান মণ্ডল। এই দুজন জঙ্গি বাংলাদেশের জেএমবির সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে এই বিস্ফোরণে আবদুল হাকিম নামের একজন গুরুতর আহত হন। তিনি এখনো কলকাতার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার দিন ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার হয় শাকিল গাজীর স্ত্রী রাজিয়া বিবি ও আবদুল হাকিমের স্ত্রী আলিমা বিবি। তাঁদের জেরা করে এনআইএ জঙ্গিদের বিভিন্ন তথ্য পেয়েছে। এই সূত্র ধরে এনআইএ ১২ জন জঙ্গিকে শনাক্ত করে তাঁদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

১২ জঙ্গিকে সদস্যের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে ভারত

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম500x350_6baaae4e86ccff223c16648fb02279e9_terror ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত ১২ পলাতক জঙ্গিকে ধরিয়ে দিতে দেশটির জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) গতকাল শুক্রবার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের জন্য ১০ লাখ রুপি, তিনজনের জন্য পাঁচ লাখ এবং বাকি চারজনের জন্য তিন লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
এনআইএর ভাষ্য, ওই ১২ জন জঙ্গিই বাংলাদেশের নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। তাঁদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশের নাগরিক।
যাঁদের ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁরা হলেন পলাতক ইউসুফ শেখ, নাসিরুল্লা, সাজিদ, কাওসার ও তালহা শেখ। পাঁচ লাখ রুপি ঘোষণা করা হয়েছে জঙ্গি হাবিবুর রহমান শেখ, আমজাদ আলী শেখ ও হাতুড়ে চিকিৎসক শাহ নূর আলমের জন্য। তিন লাখ রুপি দেওয়া হবে পলাতক জঙ্গি বোরহান শেখ, রেজাউল করিম, আবুল কালাম ও জহিরুল শেখকে ধরিয়ে দিলে।
১২ জঙ্গির মধ্যে শাহ নূর আলম আসামের বরপেটা থেকে পলাতক। বাকি ১১ জন পালিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বর্ধমান জেলা থেকে। এর মধ্যে চারজন বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁরা হলেন কাওসার, সাজিদ, হাবিবুর রহমান ও নাসিরুল্লা।
এনআইএ থেকে এঁদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণার পাশাপাশি এ কথাও জানিয়ে দিয়েছে, খোঁজ দেওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হবে। একই সঙ্গে ই-মেইল আইডি ও টেলিফোন নম্বরও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ২ অক্টোবর বর্ধমানের খাগড়াগড়ে জঙ্গিদের এক ডেরায় বিস্ফোরণ হলে সেখানে দুই জঙ্গির মৃত্যু হন। তাঁরা হলেন শাকিল আহমেদ ও সুবহান মণ্ডল। এই দুজন জঙ্গি বাংলাদেশের জেএমবির সদস্য বলে দাবি করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে এই বিস্ফোরণে আবদুল হাকিম নামের একজন গুরুতর আহত হন। তিনি এখনো কলকাতার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার দিন ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার হয় শাকিল গাজীর স্ত্রী রাজিয়া বিবি ও আবদুল হাকিমের স্ত্রী আলিমা বিবি। তাঁদের জেরা করে এনআইএ জঙ্গিদের বিভিন্ন তথ্য পেয়েছে। এই সূত্র ধরে এনআইএ ১২ জন জঙ্গিকে শনাক্ত করে তাঁদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করে।