পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

ব্রাসেলসে আওয়ামীলীগের প্রচন্ড বাধা ও তোপের মুখে মোশরেফা মিশু

বাংলার খবর২৪.কমmisu_57550, লন্ডন : ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশের রাজনীতির চলমান অবস্থা, গার্মেন্টস পরিস্থিতি, কাজের পরিবেশ, উন্নয়ন নিয়ে সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার জন্য অন্য কয়েকজনের সাথে শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশুকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।

সেমিনারে সুলতানা কামালসহ আরো অনেক অতিথিও আমন্ত্রিত হয়ে ব্রাসেলস পৌঁছেন। মোশরেফা মিশু যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন সেমিনার কক্ষে কোন রকম অনুমতি ছাড়া এবং অতিথি লিষ্ঠে নাম না থাকা সত্যেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী পরিচয় দিয়ে একদল লোক ঢুকে পড়েন এবং তারা মোশরেফা মিশুকে বক্তব্য প্রদানে বাধা প্রদান করেন। তারা তখন প্রকাশ্যে মিশুকে উদ্দেশ্য করে বলেন, উপরের নির্দেশ আছে, বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা করে কোন বক্তব্য দেয়া যাবেনা। মোশরেফা মিশু তখন তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

উপস্থিত অতিথিদের সম্মুখেই তারা হৈ চৈ ও বাধানুবাদ করতে থাকেন। মোশরেফা মিশু অনেক কষ্ঠে তখন তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে তখন ব্রাসেলসের বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ হাই কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। তারাও চেষ্টা করেছেন মিশু যাতে বক্তৃতা চালিয়ে যেতে পারেন।

পার্লামেন্টের সার্জেন্ট এট আর্মস সূত্রে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। সরকারী দলের নেতা কর্মীদের নাম তালিকায় না থাকা সত্যেও হাইকমিশনের বিশেষ সহায়তায় পাস সংগ্রহ করে তারা ভিতরে ঢুকে পড়ে হৈ হুল্লোড় করেন ও মোশরেফা মিশুকে সরকারের কোন সমালোচনা না করতে নিষেধ করেন।

সেমিনার শেষে মোশরেফা মিশু অন্য একটি প্রোগ্রামে যোগ দিতে জার্মানির বার্লিন গমন করেন। এ সময় টেলিফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন এবং লন্ডনের বেতার বাংলার জার্মান স্টুডিওকে দেয়া এক সাক্ষাতকারেও পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

সূত্র আরো নিশ্চিত করেছেন, মোশরেফা মিশু ও তাদের সকল সঙ্গী সাথীদের যখন ব্রাসেল রওয়ানা হওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিমান বন্দরে চেকিং করেন, তখন অন্য সকল অতিথিদের বোর্ডিং করতে দিলেও মোশরেফা মিশুকে বিদেশ যেতে বাধা দেয়া হয় ভিআইপিদের ক্ষেত্রে সরকারের নিষেধাজ্ঞা বলে। মোশরেফা মিশুর পীড়া পীড়িতে তখন সংশ্লিষ্ট ইমিগ্র্যাশন কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি রাজনৈতিক বাধা। অবশ্য অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত মিশু বিমানে করে ব্রাসেলস এসে পৌঁছান। ব্রাসেলসেও সরকারের তরফ থেকে এভাবে বিদেশী মেহমানদের সম্মুখে তোপের মুখে পড়তে হবে- এমনটা কখনো ধারণা করেননি তিনি।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

ব্রাসেলসে আওয়ামীলীগের প্রচন্ড বাধা ও তোপের মুখে মোশরেফা মিশু

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমmisu_57550, লন্ডন : ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশের রাজনীতির চলমান অবস্থা, গার্মেন্টস পরিস্থিতি, কাজের পরিবেশ, উন্নয়ন নিয়ে সেমিনারে বক্তব্য দেয়ার জন্য অন্য কয়েকজনের সাথে শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশুকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।

সেমিনারে সুলতানা কামালসহ আরো অনেক অতিথিও আমন্ত্রিত হয়ে ব্রাসেলস পৌঁছেন। মোশরেফা মিশু যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন সেমিনার কক্ষে কোন রকম অনুমতি ছাড়া এবং অতিথি লিষ্ঠে নাম না থাকা সত্যেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী পরিচয় দিয়ে একদল লোক ঢুকে পড়েন এবং তারা মোশরেফা মিশুকে বক্তব্য প্রদানে বাধা প্রদান করেন। তারা তখন প্রকাশ্যে মিশুকে উদ্দেশ্য করে বলেন, উপরের নির্দেশ আছে, বাংলাদেশ সরকারের সমালোচনা করে কোন বক্তব্য দেয়া যাবেনা। মোশরেফা মিশু তখন তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

উপস্থিত অতিথিদের সম্মুখেই তারা হৈ চৈ ও বাধানুবাদ করতে থাকেন। মোশরেফা মিশু অনেক কষ্ঠে তখন তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সেমিনারে তখন ব্রাসেলসের বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ হাই কমিশনার উপস্থিত ছিলেন। তারাও চেষ্টা করেছেন মিশু যাতে বক্তৃতা চালিয়ে যেতে পারেন।

পার্লামেন্টের সার্জেন্ট এট আর্মস সূত্রে জানা গেছে ভিন্ন তথ্য। সরকারী দলের নেতা কর্মীদের নাম তালিকায় না থাকা সত্যেও হাইকমিশনের বিশেষ সহায়তায় পাস সংগ্রহ করে তারা ভিতরে ঢুকে পড়ে হৈ হুল্লোড় করেন ও মোশরেফা মিশুকে সরকারের কোন সমালোচনা না করতে নিষেধ করেন।

সেমিনার শেষে মোশরেফা মিশু অন্য একটি প্রোগ্রামে যোগ দিতে জার্মানির বার্লিন গমন করেন। এ সময় টেলিফোনে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন এবং লন্ডনের বেতার বাংলার জার্মান স্টুডিওকে দেয়া এক সাক্ষাতকারেও পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

সূত্র আরো নিশ্চিত করেছেন, মোশরেফা মিশু ও তাদের সকল সঙ্গী সাথীদের যখন ব্রাসেল রওয়ানা হওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিমান বন্দরে চেকিং করেন, তখন অন্য সকল অতিথিদের বোর্ডিং করতে দিলেও মোশরেফা মিশুকে বিদেশ যেতে বাধা দেয়া হয় ভিআইপিদের ক্ষেত্রে সরকারের নিষেধাজ্ঞা বলে। মোশরেফা মিশুর পীড়া পীড়িতে তখন সংশ্লিষ্ট ইমিগ্র্যাশন কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি রাজনৈতিক বাধা। অবশ্য অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত মিশু বিমানে করে ব্রাসেলস এসে পৌঁছান। ব্রাসেলসেও সরকারের তরফ থেকে এভাবে বিদেশী মেহমানদের সম্মুখে তোপের মুখে পড়তে হবে- এমনটা কখনো ধারণা করেননি তিনি।