পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সন্দেহভাজন আরেক বাংলাদেশিকে আটক করেছে ভারত

বাংলার খবর২৪.কমclip_image002_57815, ঢাকা: মোহাম্মদ বত্তর আলী নামে আরেকজন বাংলাদেশিকে সন্দেহবশত ভারতের তামিলনাডু রাজ্য থেকে আটক করা হয়েছে। বত্তর আলীকে আটক করা হয় চেন্নাইয়ের কাছাকাছি ত্রিশুলাম সীমান্তের প্রতিরক্ষা ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকা থেকে। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। এরপর স্থানীয় মিনামবক্কম থানায় সোপর্দ করে। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ‘দিক্কান ক্রোনিক্যাল’ এ খবর প্রকাশ করেছে। তবে বত্তর আলীর বসবাস বাংলাদেশের কোন এলাকায়, এ ব্যাপারে দৈনিকটি কোনো তথ্য জানায়নি।

গত মঙ্গলবার অর্থাৎ ১১ নভেম্বর তাকে আটক করা হয়। তার কাছে পাসপোর্ট এবং ভিসা আছে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, বৈধভাবেই সে ভারতে প্রবেশ করেছে। ‘কিউ’ ব্রাঞ্চ, ‘আইবি’সহ ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দোভাষীর মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে বত্তর আলী জানিয়েছে, গত ১ নভেম্বর কোলকাতা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে। কোলকাতা থেকে দিল্লী যায়। সেখান থেকে মহারাষ্ট্র এবং তারপর কেরালায় অর্থাৎ ভারতের একেবারে দক্ষিণে চলে যায়। এরপর চেন্নাইয়ে আসে।

বত্তর আলী জানায়, ত্রিশুলাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে চেন্নাই বিমানবন্দরে যাচ্ছিলো সে। কিন্তু, ভুল করে সীমান্তে প্রতিরক্ষা ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় এসে পড়ে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার এ বক্তব্যে বিশ্বাস করেনি। তার ভিসা এবং ভ্রমণ ব্যয় সম্পর্কেও বত্তর আলী সদুত্তর দিতে পারেনি।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রশ্ন, বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১১ দিন আগে কোলকাতা দিয়ে মোহাম্মদ বত্তর আলী ভারতে প্রবেশ করেছে। দেখা যায়, গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ১১ দিনে সে গোটা ভারত চষে বেড়িয়েছে। এতোগুলো এলাকা ভ্রমণের খরচ কীভাবে সে বহন করলো? জিজ্ঞাসাবাদে বত্তর আলী জানিয়েছে, তার পরিবার দরিদ্র। গরু বিক্রি করে অসুস্থ স্ত্রীর জন্য ওষুধ কিনতে সে ভারত গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর ভারতের বর্ধমান শহরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে। বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠন জেএমবি এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এর জের হিসেবে ইতিমধ্যে গত এক সপ্তায় আমজাদ শেখ এবং সাজিদ নামে দুই বাংলাদেশিকে ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে। বত্তর আলীকে যদিও এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি, তবুও তার ভারত ভ্রমণ এবং ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় যাওয়ার ব্যাপারে কোনো সদুত্তর না পাওয়া পর্যন্ত তাকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ছাড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সন্দেহভাজন আরেক বাংলাদেশিকে আটক করেছে ভারত

আপডেট টাইম : ০২:১২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমclip_image002_57815, ঢাকা: মোহাম্মদ বত্তর আলী নামে আরেকজন বাংলাদেশিকে সন্দেহবশত ভারতের তামিলনাডু রাজ্য থেকে আটক করা হয়েছে। বত্তর আলীকে আটক করা হয় চেন্নাইয়ের কাছাকাছি ত্রিশুলাম সীমান্তের প্রতিরক্ষা ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকা থেকে। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। এরপর স্থানীয় মিনামবক্কম থানায় সোপর্দ করে। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি দৈনিক ‘দিক্কান ক্রোনিক্যাল’ এ খবর প্রকাশ করেছে। তবে বত্তর আলীর বসবাস বাংলাদেশের কোন এলাকায়, এ ব্যাপারে দৈনিকটি কোনো তথ্য জানায়নি।

গত মঙ্গলবার অর্থাৎ ১১ নভেম্বর তাকে আটক করা হয়। তার কাছে পাসপোর্ট এবং ভিসা আছে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে, বৈধভাবেই সে ভারতে প্রবেশ করেছে। ‘কিউ’ ব্রাঞ্চ, ‘আইবি’সহ ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দোভাষীর মাধ্যমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে বত্তর আলী জানিয়েছে, গত ১ নভেম্বর কোলকাতা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে। কোলকাতা থেকে দিল্লী যায়। সেখান থেকে মহারাষ্ট্র এবং তারপর কেরালায় অর্থাৎ ভারতের একেবারে দক্ষিণে চলে যায়। এরপর চেন্নাইয়ে আসে।

বত্তর আলী জানায়, ত্রিশুলাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে চেন্নাই বিমানবন্দরে যাচ্ছিলো সে। কিন্তু, ভুল করে সীমান্তে প্রতিরক্ষা ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় এসে পড়ে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার এ বক্তব্যে বিশ্বাস করেনি। তার ভিসা এবং ভ্রমণ ব্যয় সম্পর্কেও বত্তর আলী সদুত্তর দিতে পারেনি।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রশ্ন, বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১১ দিন আগে কোলকাতা দিয়ে মোহাম্মদ বত্তর আলী ভারতে প্রবেশ করেছে। দেখা যায়, গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ১১ দিনে সে গোটা ভারত চষে বেড়িয়েছে। এতোগুলো এলাকা ভ্রমণের খরচ কীভাবে সে বহন করলো? জিজ্ঞাসাবাদে বত্তর আলী জানিয়েছে, তার পরিবার দরিদ্র। গরু বিক্রি করে অসুস্থ স্ত্রীর জন্য ওষুধ কিনতে সে ভারত গিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর ভারতের বর্ধমান শহরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় চলছে। বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠন জেএমবি এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এর জের হিসেবে ইতিমধ্যে গত এক সপ্তায় আমজাদ শেখ এবং সাজিদ নামে দুই বাংলাদেশিকে ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে। বত্তর আলীকে যদিও এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি, তবুও তার ভারত ভ্রমণ এবং ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় যাওয়ার ব্যাপারে কোনো সদুত্তর না পাওয়া পর্যন্ত তাকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ছাড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।