পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সরকারি কর্মচারী আইন দ্রুত পাশ করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলার খবর২৪.কম,ঢাকা index_47169সাভার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দক্ষ ও সেবামুখি জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে দ্রুত সরকারি কর্মচারী আইন পাশ করা হবে।

তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিস এ্যাক্ট যতো দ্রুত সম্ভব আমরা করে দেবো। সংসদে আসলে আমরা তাড়াতাড়ি পাশ করে দেবো এটা।

রোববার সাভারে লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ একাডেমিতে (বিপিএটিসি) ৫৬তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য একটি দক্ষ ও সেবামুখি জনপ্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে এ আইনের খসড়া তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার নতুন নতুন চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের মেধা ও মননের সমন্বয় ঘটিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। আর এই সমন্বয় ঘটানোর কলাকৌশলগুলো প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই রপ্ত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিপিএটিসি এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী ।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের যথাযথ বেতন-ভাতা দিতে ‘বেতন ও চাকরি কমিশন ২০১৩’ গঠন করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও দীর্ঘ দিনেও তা প্রণীত হয়নি। ফলে বিধি, নীতিমালা ও প্রয়োজনমতো নির্দেশনাপত্র জারি করে সরকারি কর্মচারীদের পরিচালনা করা হচ্ছে এতদিন ধরে।

মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত করা খসড়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট পাঠকদের জন্য তুরে ধরা হলো-

এতে বলা হয়েছে, বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগ গ্রহণের আগে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে সরকারের অনুমোদন নিতে হবে।

আইনের খসড়া অনুযায়ী, তিন বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড হলে সরকারি কর্মচারীকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা যাবে। দুর্নীতিসহ অন্য অপরাধে কোনো কর্মচারীর তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হলে তাকে চাকরিতে বহাল রাখার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা ও কর্ম মূল্যায়নকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে খসড়ায়।

খসড়া অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি স্থায়ী বেতন কমিশন রাখতে হবে, যা প্রতি বছর বাজার মূল্যের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বেতন বৃদ্ধি সমন্বয় করে বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে।

আইনটি বাস্তবায়ন হলে সরকারি কর্মচারীদের উৎসাহ দিতে জনসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার ও স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সরকারি কর্মচারী আইন দ্রুত পাশ করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ০৫:০১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,ঢাকা index_47169সাভার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দক্ষ ও সেবামুখি জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে দ্রুত সরকারি কর্মচারী আইন পাশ করা হবে।

তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিস এ্যাক্ট যতো দ্রুত সম্ভব আমরা করে দেবো। সংসদে আসলে আমরা তাড়াতাড়ি পাশ করে দেবো এটা।

রোববার সাভারে লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ একাডেমিতে (বিপিএটিসি) ৫৬তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য একটি দক্ষ ও সেবামুখি জনপ্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ইতোমধ্যে এ আইনের খসড়া তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার নতুন নতুন চ্যালেঞ্জগুলো আমাদের মেধা ও মননের সমন্বয় ঘটিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। আর এই সমন্বয় ঘটানোর কলাকৌশলগুলো প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই রপ্ত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বিপিএটিসি এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী ।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের যথাযথ বেতন-ভাতা দিতে ‘বেতন ও চাকরি কমিশন ২০১৩’ গঠন করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা থাকলেও দীর্ঘ দিনেও তা প্রণীত হয়নি। ফলে বিধি, নীতিমালা ও প্রয়োজনমতো নির্দেশনাপত্র জারি করে সরকারি কর্মচারীদের পরিচালনা করা হচ্ছে এতদিন ধরে।

মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত করা খসড়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু পয়েন্ট পাঠকদের জন্য তুরে ধরা হলো-

এতে বলা হয়েছে, বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগ গ্রহণের আগে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে সরকারের অনুমোদন নিতে হবে।

আইনের খসড়া অনুযায়ী, তিন বছরের বেশি মেয়াদে কারাদণ্ড হলে সরকারি কর্মচারীকে চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা যাবে। দুর্নীতিসহ অন্য অপরাধে কোনো কর্মচারীর তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হলে তাকে চাকরিতে বহাল রাখার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা ও কর্ম মূল্যায়নকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে খসড়ায়।

খসড়া অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি স্থায়ী বেতন কমিশন রাখতে হবে, যা প্রতি বছর বাজার মূল্যের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বেতন বৃদ্ধি সমন্বয় করে বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে।

আইনটি বাস্তবায়ন হলে সরকারি কর্মচারীদের উৎসাহ দিতে জনসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কার ও স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা হবে।