পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ভোকেশনাল শাখায় ফল বিপর্যয় : দায়িত্ব অবহেলায় ৯ শিক্ষক বরখাস্ত

লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের কবি শেখ ফজলল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গাফিলাতির কারণে যথাযথ সময়ে ব্যবহারিক নম্বর বোর্ডে সংযুক্ত না করায় তাদের ভোকেশনাল শাখার একযোগে সকল শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এদিকে এই ফল বিপর্যয়ের কারণে রোববার দুপুরে বিদ্যালয়টির ৯ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ। এমন ফল বিপর্যয়ের কারণে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে ফলপ্রত্যাশী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা হলেন- জরিনা বানু, আব্দুল লতিফ, সুফিয়ার রহমান, সায়েদুল ইসলাম, একেএম আব্দুর রাজ্জাক, সোলায়মান আলী মন্ডল, আলতাফ হোসেন, হাসান আলী ও শফিকুল ইসলাম।

জানা যায়, লালমনিরহাট শহরের কবি শেখ ফজলল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখা থেকে এবারের এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৮ জন শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার সারাদেশে একযোগে ফল প্রকাশ হলেও শিক্ষকদের গাফিলাতির কারণে বিদ্যালয়টির কোন শিক্ষার্থীর ফল আসেনি। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বোর্ডের ভুল বলে সংশোধনের আশ্বাস দিয়ে রোববার ফল ঘোষণার কথা জানান। কিন্তু আজ রোববার প্রকাশিত সংশোধিত ফলে ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছেন মাত্র ১৪ জন। তবে বিষয়টি মানতে পারছেন না ফল প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। আর তাই রেজাল্ট নিতে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী তাতক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালেও নেয়া হয়।

এবিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হক জানান, তারা ব্যবহারিক নম্বর পাঠালেও বোর্ড তা সংযুক্ত করেনি। ফলে সংশোধিত ফলাফল একদিন পরে প্রকাশ করা হয়। তবে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ মানতে পারছেন না বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট মতিয়ার রহমান।

তিনি আরো বলেন, গাফিলাতির অভিযোগ এনে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে ভোকেশনাল শাখার ৯ শিক্ষককে।

এ বিষয়ে সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মাতিয়ার রহমান জানান, ‘তিনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছেন শিক্ষকদের দায়িত্ব অবহেলার কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে। তাই তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না তার জন্য কর্তৃপক্ষকে নোটিশ করা হয়েছে। এদিকে শুধু সাময়িক বরখাস্ত নয় প্রকৃত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রকাশিত ফল পুনরায় বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ভোকেশনাল শাখায় ফল বিপর্যয় : দায়িত্ব অবহেলায় ৯ শিক্ষক বরখাস্ত

আপডেট টাইম : ০৩:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০১৫

লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের কবি শেখ ফজলল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গাফিলাতির কারণে যথাযথ সময়ে ব্যবহারিক নম্বর বোর্ডে সংযুক্ত না করায় তাদের ভোকেশনাল শাখার একযোগে সকল শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এদিকে এই ফল বিপর্যয়ের কারণে রোববার দুপুরে বিদ্যালয়টির ৯ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ। এমন ফল বিপর্যয়ের কারণে বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে ফলপ্রত্যাশী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা হলেন- জরিনা বানু, আব্দুল লতিফ, সুফিয়ার রহমান, সায়েদুল ইসলাম, একেএম আব্দুর রাজ্জাক, সোলায়মান আলী মন্ডল, আলতাফ হোসেন, হাসান আলী ও শফিকুল ইসলাম।

জানা যায়, লালমনিরহাট শহরের কবি শেখ ফজলল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখা থেকে এবারের এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৮ জন শিক্ষার্থী। গতকাল শনিবার সারাদেশে একযোগে ফল প্রকাশ হলেও শিক্ষকদের গাফিলাতির কারণে বিদ্যালয়টির কোন শিক্ষার্থীর ফল আসেনি। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বোর্ডের ভুল বলে সংশোধনের আশ্বাস দিয়ে রোববার ফল ঘোষণার কথা জানান। কিন্তু আজ রোববার প্রকাশিত সংশোধিত ফলে ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছেন মাত্র ১৪ জন। তবে বিষয়টি মানতে পারছেন না ফল প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। আর তাই রেজাল্ট নিতে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী তাতক্ষণিক জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাদের চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালেও নেয়া হয়।

এবিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হক জানান, তারা ব্যবহারিক নম্বর পাঠালেও বোর্ড তা সংযুক্ত করেনি। ফলে সংশোধিত ফলাফল একদিন পরে প্রকাশ করা হয়। তবে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ মানতে পারছেন না বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট মতিয়ার রহমান।

তিনি আরো বলেন, গাফিলাতির অভিযোগ এনে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে ভোকেশনাল শাখার ৯ শিক্ষককে।

এ বিষয়ে সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মাতিয়ার রহমান জানান, ‘তিনি খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছেন শিক্ষকদের দায়িত্ব অবহেলার কারণেই ঘটনাটি ঘটেছে। তাই তাদের সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না তার জন্য কর্তৃপক্ষকে নোটিশ করা হয়েছে। এদিকে শুধু সাময়িক বরখাস্ত নয় প্রকৃত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রকাশিত ফল পুনরায় বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।