পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

তিস্তার পানি চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চুড়ান্ত করা হয়েছে : পানিসম্পদমন্ত্রী

বাংলার খবর২৪.কম500x350_5b803cd7c34ff7c3c055db32bca777fc_Rangpur-tista-River: বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনার ফলশ্রুতিতে তিস্তা নদীর অন্তবর্তীকালীন পানি বন্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চুড়ান্ত করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অনতিবিলম্বে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানান পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য অনুপম শাহজাহান জয়ের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর প্রবাহ বন্টনের লক্ষ্যে ত্রিশ বছর মেয়াদী একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সাক্ষরিত হয়। সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর অনুরূপভাবে তিস্তা চূক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। বিশেষ করে, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি স্বল্পতার কারণে জনদুর্ভোগের কথা অনুধাবন করে জরুরী ভিত্তিতে তিস্তা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া প্রয়োজন মর্মে যৌথ ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় স্বতন্ত্র সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদমন্ত্রী জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন। এই চুক্তি নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে বক্তব্য দেওয়া সমীচিন হবে না।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

তিস্তার পানি চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চুড়ান্ত করা হয়েছে : পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম500x350_5b803cd7c34ff7c3c055db32bca777fc_Rangpur-tista-River: বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনার ফলশ্রুতিতে তিস্তা নদীর অন্তবর্তীকালীন পানি বন্টন চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চুড়ান্ত করা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অনতিবিলম্বে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানান পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য অনুপম শাহজাহান জয়ের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে শুকনো মৌসুমে ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর প্রবাহ বন্টনের লক্ষ্যে ত্রিশ বছর মেয়াদী একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সাক্ষরিত হয়। সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর অনুরূপভাবে তিস্তা চূক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে বিভিন্ন পর্যায়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। বিশেষ করে, ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি স্বল্পতার কারণে জনদুর্ভোগের কথা অনুধাবন করে জরুরী ভিত্তিতে তিস্তা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া প্রয়োজন মর্মে যৌথ ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় স্বতন্ত্র সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীর সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদমন্ত্রী জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন। এই চুক্তি নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে এখনও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে বক্তব্য দেওয়া সমীচিন হবে না।