পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন Logo শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজিত Logo পাটগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে সাইবার নিরাপত্তার জগতে নয়ন রায়ের এগিয়ে চলা Logo বিআরটিএ, ফরিদপুর সার্কেল কর্তৃক জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা” বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo জমিজমার বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার অভিযোগ Logo পাটগ্রামে ১৭ লাখের দেনমোহর কমিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার করার অভিযোগ, কাজির দুই সহযোগী আটক

ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলার খবর২৪.কমindex_51396, ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ‘ক’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও চকবাজার জনতা ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১৫ জন ভর্তিচ্ছু ও ১ জন স্কুল কর্মচারী রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজধানীর ৬টি থানায় মোট ১১টি মামলায় এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এর মধ্যে শাহবাগ থানায় দু’টি, লালবাগ থানায় তিনটি, মতিঝিল থানায় দু’টি, নিউমার্কেট থানায় একটি, মোহাম্মদপুর থানায় দু’টি ও কলাবাগান থানায় একটি করে মামলা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল আহসান বাদী হয়ে সবগুলো মামলা করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটককৃত ১৫ শিক্ষার্থী, ১ ব্যাংক কর্মকর্তা, ১ জন স্কুলের কর্মচারী ও ১ জন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে তিনি জানান।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মুঠোফোন, ডিজিটাল ঘড়ি ও তারবিহীন মাইক্রো (খুদে) হেডফোনসহ পরীক্ষার্থীদের আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে জালিয়াত চক্রের আরো দুই সদস্যকে আটক করে পুলিশ।

শাহবাগ থানা: শাহবাগ থানায় দু’টি মামলার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক কর্মকর্তা ইমদাদুল হক খোকন ও ভর্তিচ্ছু বদিউজ্জামান জুয়েলের (রোল নং-৪৩৩০৬৩) বিরুদ্ধে মামলা। তাদের মামলা নং-২৪। খোকন ওই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা চুক্তি করে বলে অভিযোগ করে ওই শিক্ষার্থী।

শাহবাগ থানায় অন্য একটি মামলার আসামি হলেন- সাদমান আহমেদ সৈকত (রোল নং-৪০৩৬৬৬)। মামলা নং-২৫। তাকে কার্জন হলের ফিশারীজ ভবন বিভাগ থেকে আটক করা হয়।

নিউমার্কেট থানা: নিউমার্কেট থানায় মামলা করা হয়েছে একটি। মামলা নং-৭। এই মামলায় আসামি হলেন- রাফিয়া হাসান (রোল নং-৪৮২১৪৯)। তাকে বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে আটক করা হয়। তিনি তুহিন নামের একজনের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করেন।

মোহাম্মদপুর থানা: মোহাম্মদপুর থানায় দু’টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আসামি রয়েছেন রাইসুল ইসলাম (রোল নং-৪৬৯৪৬০)। মামলা নং- ৩৬। তাকে প্রিপারেটরী হায়ার সেকেন্ডারী বয়েজ স্কুল থেকে আটক করা হয়। তিনি তার জনৈক বড় ভাই মাহবুবের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করেন। এর সঙ্গে আরো ২/৩ জন জড়িত বলে জানা গেছে।

অপর একটি মামলায় আসামি রয়েছেন তিনজন। মামলা নং- ৩৭। মামলায় আসামিরা হলেন- কে এম রেজওয়ানুল ইসলাম ফারুক(রোল নং- ৪৭২৮০০), ইফরাতুন কাউসার (রোল নং- ৪৭২৭৬১), ফারহা ফারজানা নিশাত (রোল নং- ৪৭৩৭৫৭)। এদের তিনজনকেই মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী গার্লস স্কুল থেকে আটক করা হয়।

এদের মধ্যে কে এম রেজওয়ানুল ইসলাম ফারুক তার চাচাত ভাইয়ের বন্ধুর সঙ্গে তিন লক্ষ, ইফরাতুন কাউসার রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ছামীর সঙ্গে তিন লক্ষ এবং ফারহা ফারজানা নিশাত তার এক আঙ্কেলের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী তারা তাদের মোবাইলে এসএমএস দিবে।

কলাবাগান থানা: কলাবাগান থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলা নং-৬। মামলার আসামি তিনজন। এরা হলেন- রুহুল আমিন সেতু (রোল নং- ৪৫২৭৩১), ফুয়াদ হাসান (রোল নং-৪৫২৭২৭) এবং মো: আব্দুর রহিম। এদেরকে ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ থেকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে আব্দুর রহিম ওই কলেজের কর্মচারী বলে জানা গেছে। তিনি মাত্র সাড়ে ছয় হাজার টাকার বিনিময়ে ওই ভর্তিচ্ছুদের মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার সুযোগ দেন।

মতিঝিল থানা : মতিঝিল থানায় দু’টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার আসামি হলেন- তারিকুল ইসলাম (রোল ৪৬৪০৯৪), মামলা নং-১৬। তাকে নটরডেম কলেজ থেকে আটক করা হয়।

অপর মামলায় আসামি হলেন সৈয়দ আলমগীর কবির (রোল ৪৯৬৪৮৫)। মামলা নং- ১৫। তাকে মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে আটক করা হয়।

এছাড়া লালবাগ থানায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। এই থানায় আসামিরা হলেন- জায়ীদ হাসান(৪৪৬২৮৭), প্রিয়ম সরকার(৪৩৫৩৭৮), সাব্বির হোসেন, হুজ্জাতুল ইসলাম এবং সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি সবুজ। তবে তাদের মামলা নং জানা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলার সকল আসামিই জেলে রয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ নেতাকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল আহসান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম আমজাদ আলী বলেন, ছয়টি থানায় ১১টা মামলা করা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে ১৮ জনকে। সবুজ ছাড়া সবাই আটক আছেন বলে তিনি জানান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়তে পাটগ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ সদস্যের সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি গঠন

ছাত্রলীগ নেতাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ১০:৩৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_51396, ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ‘ক’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও চকবাজার জনতা ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১৫ জন ভর্তিচ্ছু ও ১ জন স্কুল কর্মচারী রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজধানীর ৬টি থানায় মোট ১১টি মামলায় এদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এর মধ্যে শাহবাগ থানায় দু’টি, লালবাগ থানায় তিনটি, মতিঝিল থানায় দু’টি, নিউমার্কেট থানায় একটি, মোহাম্মদপুর থানায় দু’টি ও কলাবাগান থানায় একটি করে মামলা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল আহসান বাদী হয়ে সবগুলো মামলা করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আটককৃত ১৫ শিক্ষার্থী, ১ ব্যাংক কর্মকর্তা, ১ জন স্কুলের কর্মচারী ও ১ জন ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে তিনি জানান।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মুঠোফোন, ডিজিটাল ঘড়ি ও তারবিহীন মাইক্রো (খুদে) হেডফোনসহ পরীক্ষার্থীদের আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে জালিয়াত চক্রের আরো দুই সদস্যকে আটক করে পুলিশ।

শাহবাগ থানা: শাহবাগ থানায় দু’টি মামলার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক কর্মকর্তা ইমদাদুল হক খোকন ও ভর্তিচ্ছু বদিউজ্জামান জুয়েলের (রোল নং-৪৩৩০৬৩) বিরুদ্ধে মামলা। তাদের মামলা নং-২৪। খোকন ওই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা চুক্তি করে বলে অভিযোগ করে ওই শিক্ষার্থী।

শাহবাগ থানায় অন্য একটি মামলার আসামি হলেন- সাদমান আহমেদ সৈকত (রোল নং-৪০৩৬৬৬)। মামলা নং-২৫। তাকে কার্জন হলের ফিশারীজ ভবন বিভাগ থেকে আটক করা হয়।

নিউমার্কেট থানা: নিউমার্কেট থানায় মামলা করা হয়েছে একটি। মামলা নং-৭। এই মামলায় আসামি হলেন- রাফিয়া হাসান (রোল নং-৪৮২১৪৯)। তাকে বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ স্কুল এন্ড কলেজ থেকে আটক করা হয়। তিনি তুহিন নামের একজনের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করেন।

মোহাম্মদপুর থানা: মোহাম্মদপুর থানায় দু’টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় আসামি রয়েছেন রাইসুল ইসলাম (রোল নং-৪৬৯৪৬০)। মামলা নং- ৩৬। তাকে প্রিপারেটরী হায়ার সেকেন্ডারী বয়েজ স্কুল থেকে আটক করা হয়। তিনি তার জনৈক বড় ভাই মাহবুবের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করেন। এর সঙ্গে আরো ২/৩ জন জড়িত বলে জানা গেছে।

অপর একটি মামলায় আসামি রয়েছেন তিনজন। মামলা নং- ৩৭। মামলায় আসামিরা হলেন- কে এম রেজওয়ানুল ইসলাম ফারুক(রোল নং- ৪৭২৮০০), ইফরাতুন কাউসার (রোল নং- ৪৭২৭৬১), ফারহা ফারজানা নিশাত (রোল নং- ৪৭৩৭৫৭)। এদের তিনজনকেই মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী গার্লস স্কুল থেকে আটক করা হয়।

এদের মধ্যে কে এম রেজওয়ানুল ইসলাম ফারুক তার চাচাত ভাইয়ের বন্ধুর সঙ্গে তিন লক্ষ, ইফরাতুন কাউসার রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ছামীর সঙ্গে তিন লক্ষ এবং ফারহা ফারজানা নিশাত তার এক আঙ্কেলের সঙ্গে তিন লক্ষ টাকার চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী তারা তাদের মোবাইলে এসএমএস দিবে।

কলাবাগান থানা: কলাবাগান থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলা নং-৬। মামলার আসামি তিনজন। এরা হলেন- রুহুল আমিন সেতু (রোল নং- ৪৫২৭৩১), ফুয়াদ হাসান (রোল নং-৪৫২৭২৭) এবং মো: আব্দুর রহিম। এদেরকে ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ থেকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে আব্দুর রহিম ওই কলেজের কর্মচারী বলে জানা গেছে। তিনি মাত্র সাড়ে ছয় হাজার টাকার বিনিময়ে ওই ভর্তিচ্ছুদের মোবাইল নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করার সুযোগ দেন।

মতিঝিল থানা : মতিঝিল থানায় দু’টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলার আসামি হলেন- তারিকুল ইসলাম (রোল ৪৬৪০৯৪), মামলা নং-১৬। তাকে নটরডেম কলেজ থেকে আটক করা হয়।

অপর মামলায় আসামি হলেন সৈয়দ আলমগীর কবির (রোল ৪৯৬৪৮৫)। মামলা নং- ১৫। তাকে মতিঝিল আইডিয়াল কলেজ থেকে আটক করা হয়।

এছাড়া লালবাগ থানায় তিনটি মামলা করা হয়েছে। এই থানায় আসামিরা হলেন- জায়ীদ হাসান(৪৪৬২৮৭), প্রিয়ম সরকার(৪৩৫৩৭৮), সাব্বির হোসেন, হুজ্জাতুল ইসলাম এবং সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি সবুজ। তবে তাদের মামলা নং জানা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলার সকল আসামিই জেলে রয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ নেতাকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুল আহসান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম আমজাদ আলী বলেন, ছয়টি থানায় ১১টা মামলা করা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে ১৮ জনকে। সবুজ ছাড়া সবাই আটক আছেন বলে তিনি জানান।