পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

আজ পল্লী কবি জসিমউদ্দীনের জন্মদিন

আজ পল্লী কবি জসিমউদ্দিনের জন্মদিন। ফরিদপুরে তার জন্মদিনটি পালন করছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন। তিনি ১৯০৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট। জসীম উদ্ দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন।

এখান থেকে তিনি তার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন। এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। ফরিদপুরের অম্বিকাপুরে জসীম উদ্দীনের কবরস্থান। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরে তাকে তাঁর নিজ গ্রাম গোবিন্দপুরে দাফন করা হয়। রাখালী (১৯২৭) নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) বালুচর (১৯৩০) ধানক্ষেত (১৯৩৩) সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪) হাসু (১৯৩৮) রঙিলা নায়ের মাঝি(১৯৩৫) ররূপবতি (১৯৪৬) মাটির কান্না (১৯৫১) এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)সকিনা (১৯৫৯) সুচয়নী (১৯৬১) ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২) মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩) হলুদ বরণী (১৯৬৬) জলে লেখন (১৯৬৯) কাফনের মিছিল ((১৯৮৮)কবর।

তার নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে পদ্মাপার (১৯৫০) বেদের মেয়ে (১৯৫১) মধুমালা (১৯৫১) পল্লীবধূ (১৯৫৬) গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯) ওগো পুস্পধনু (১৯৬৮) আসমান সিংহ (১৯৮৬)। আত্নকথা-যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) উপন্যাস- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)। -ভ্রমণ কাহিনী চলে মুসাফির (১৯৫২) হলদে পরির দেশে ( ১৯৬৭) যে দেশে মানুষ বড় (১৯৬৮) জার্মানীর শহরে বন্দরে] (১৯৭৫)। সঙ্গীত-জারি গান (১৯৬৮) মুর্শিদী গান (১৯৭৭)। অন্যান্য- বাঙালির হাসির গল্প, ডালিমকুমার (১৯৮৬)। পুরষ্কার ও পদক-প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স ১৯৫৮,একুশে পদক ১৯৭৬,স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮ (মরণোত্তর), ১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি (১৯৬৯)।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

আজ পল্লী কবি জসিমউদ্দীনের জন্মদিন

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০১৭

আজ পল্লী কবি জসিমউদ্দিনের জন্মদিন। ফরিদপুরে তার জন্মদিনটি পালন করছে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন। তিনি ১৯০৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার বাড়ি ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট। জসীম উদ্ দীন ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল ও পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে পড়ালেখা করেন।

এখান থেকে তিনি তার প্রবেশিকা পরীক্ষায় ১৯২১ সনে উত্তীর্ণ হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা থেকে বি. এ. এবং এম. এ. শেষ করেন যথাক্রমে ১৯২৯ এবং ১৯৩১ সনে। ১৯৩৩ সনে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী পদে যোগ দেন। এরপর ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সনে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। ফরিদপুরের অম্বিকাপুরে জসীম উদ্দীনের কবরস্থান। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরে তাকে তাঁর নিজ গ্রাম গোবিন্দপুরে দাফন করা হয়। রাখালী (১৯২৭) নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) বালুচর (১৯৩০) ধানক্ষেত (১৯৩৩) সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৪) হাসু (১৯৩৮) রঙিলা নায়ের মাঝি(১৯৩৫) ররূপবতি (১৯৪৬) মাটির কান্না (১৯৫১) এক পয়সার বাঁশী (১৯৫৬)সকিনা (১৯৫৯) সুচয়নী (১৯৬১) ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২) মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩) হলুদ বরণী (১৯৬৬) জলে লেখন (১৯৬৯) কাফনের মিছিল ((১৯৮৮)কবর।

তার নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে পদ্মাপার (১৯৫০) বেদের মেয়ে (১৯৫১) মধুমালা (১৯৫১) পল্লীবধূ (১৯৫৬) গ্রামের মেয়ে (১৯৫৯) ওগো পুস্পধনু (১৯৬৮) আসমান সিংহ (১৯৮৬)। আত্নকথা-যাদের দেখেছি ((১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা ( ১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) উপন্যাস- বোবা কাহিনী (১৯৬৪)। -ভ্রমণ কাহিনী চলে মুসাফির (১৯৫২) হলদে পরির দেশে ( ১৯৬৭) যে দেশে মানুষ বড় (১৯৬৮) জার্মানীর শহরে বন্দরে] (১৯৭৫)। সঙ্গীত-জারি গান (১৯৬৮) মুর্শিদী গান (১৯৭৭)। অন্যান্য- বাঙালির হাসির গল্প, ডালিমকুমার (১৯৮৬)। পুরষ্কার ও পদক-প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স ১৯৫৮,একুশে পদক ১৯৭৬,স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮ (মরণোত্তর), ১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি (১৯৬৯)।