পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ইতিহাসের পথ ধরে: সাইদুর রহমান প্যাটেল

— ফরহাদ হোসাইন মিঠু

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মহান স্হপতি; হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহ এবং ভালোবাসার পাত্র ছিলেন পুরাতন ঢাকার গেন্ডারিয়ার সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান প্যাটেল। বঙ্গবন্ধু তাঁর আঞ্চলিক ভাষায় প্যাটেলকে বলতেন –আমার মেয়াচাঁন।

সাইদুর রহমান প্যাটেল তাঁর জীবন দর্শায় উজ্জ্বল সাক্ষর রেখে চলছেন। নীতি আদর্শে অটুট থেকেছেন। নীতি আদর্শ কখনো বির্সজন দেন নাই। কোন দিন কোন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নাই। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো জেনেছেন, তাইতো তিনি আজ আপন মহিমায় উদ্ভাসিত। দিবালোকের মতো নির্মল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান প্যাটেল পুরাতন ঢাকা নয় সারা বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকারের প্রতীক। সৎ, নির্ভেজাল, নির্লোভ, মেধাবী ; পরিছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী। বর্তমান সময়ে তার মতো আদর্শবান ও পরিছন্ন একজন মানুকে নেতা হিসেবে খুঁজে পাওয়া দুস্কর। তিনি সমাজ এবং রাষ্ট্রের অনন্য সম্পদে পরিনত হয়েছেন।

এই উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, বাংলাদেশ তৈরীর মহান কারিগর, জাতির জনক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের; প্যাটেল ছিলেন পুত্রতুল্য। বঙ্গবন্ধুর জৌষ্ঠ্য পুত্র শেখ কামাল ছিলো প্যাটেলের প্রিয় বন্ধু। স্বাধীনতার পরর্বতী কালীন রাষ্ট্রপতি ভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ছিলো সাইদুর রহমান প্যাটেলের আর একটি বাড়ি।

রাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার খুব কাছে ছিলেন। দেশের রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে সাইদুর রহমান প্যাটেলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সত্ত্বেও ক্ষমতার কখনো অপব্যবহার করেন নাই। একটু যদি নীতি আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াতেন তাহলে এই শহরে সম্পদের পাহাড় গড়তে পারতেন। এমন একজন কেউ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, সাইদুর রহমান প্যাটেল জুলুম বা অত্যাচার করেছেন। উপকার করার মানষিকতা নিয়ে কাজ করেছেন,সমাজে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। জীবনের যা কিছু মহান অর্জন তা শুধু শ্রম ঘামের বিনিময়ে অর্জন করেছেন।

বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নেতা হিসেবে পেয়েছিলেন এই উপমহাদেশের বিখ্যাত নেতা শেরেবাংলা এ কে এম ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে।আর সাইদুর রহমান প্যাটেল রাজনীতি গুরু হিসেবে পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কালজয়ী এই নেতাদের উত্তরসূরি হিসেবে নীতি আদর্শে দীক্ষা নিয়ে আজীবন সচেষ্ট থেকেছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বাংলার অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর প্যাটেলকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে জেলে প্রেরন করা হয়।

জেলে থাকা অবস্হায় প্যাটেলকে মুক্তির শর্তে তৎকালীন জিয়া সরকার এম পি, মন্ত্রী বানানোর বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখান। কোন প্রকার প্রলোভনের সাড়া না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই সমাজ এবং জাতীর কাছে পরীক্ষিত নেতা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিমের প্রতিষ্ঠিতা সাইদুর রহমান প্যাটেল – একথা তিনি মনে প্রানে বিশ্বাস করেন যে, তিনি বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ভালোবাসা পেয়েছেন; পুত্রতুল্য ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন।বঙ্গবন্ধু বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন –আমার প্যাটেল। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যক্তি জীবনে আর কিছু হতে পারে না।
বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্নেহ, ভালোবাসা; স্মৃতি বুকে চেপে সাইদুর রহমান প্যাটেল নিরন্তর হেঁটে চলেছেন ইতিহাসের পথ ধরে…।

নিউজটি সম্পাদনা করেছেন —ফারুক আহম্মেদ সুজন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ইতিহাসের পথ ধরে: সাইদুর রহমান প্যাটেল

আপডেট টাইম : ০৮:২১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮

— ফরহাদ হোসাইন মিঠু

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মহান স্হপতি; হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহ এবং ভালোবাসার পাত্র ছিলেন পুরাতন ঢাকার গেন্ডারিয়ার সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান প্যাটেল। বঙ্গবন্ধু তাঁর আঞ্চলিক ভাষায় প্যাটেলকে বলতেন –আমার মেয়াচাঁন।

সাইদুর রহমান প্যাটেল তাঁর জীবন দর্শায় উজ্জ্বল সাক্ষর রেখে চলছেন। নীতি আদর্শে অটুট থেকেছেন। নীতি আদর্শ কখনো বির্সজন দেন নাই। কোন দিন কোন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নাই। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো জেনেছেন, তাইতো তিনি আজ আপন মহিমায় উদ্ভাসিত। দিবালোকের মতো নির্মল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান প্যাটেল পুরাতন ঢাকা নয় সারা বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকারের প্রতীক। সৎ, নির্ভেজাল, নির্লোভ, মেধাবী ; পরিছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী। বর্তমান সময়ে তার মতো আদর্শবান ও পরিছন্ন একজন মানুকে নেতা হিসেবে খুঁজে পাওয়া দুস্কর। তিনি সমাজ এবং রাষ্ট্রের অনন্য সম্পদে পরিনত হয়েছেন।

এই উপমহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা, বাংলাদেশ তৈরীর মহান কারিগর, জাতির জনক রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের; প্যাটেল ছিলেন পুত্রতুল্য। বঙ্গবন্ধুর জৌষ্ঠ্য পুত্র শেখ কামাল ছিলো প্যাটেলের প্রিয় বন্ধু। স্বাধীনতার পরর্বতী কালীন রাষ্ট্রপতি ভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ছিলো সাইদুর রহমান প্যাটেলের আর একটি বাড়ি।

রাষ্ট্রপতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার খুব কাছে ছিলেন। দেশের রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে সাইদুর রহমান প্যাটেলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সত্ত্বেও ক্ষমতার কখনো অপব্যবহার করেন নাই। একটু যদি নীতি আদর্শ থেকে সরে দাঁড়াতেন তাহলে এই শহরে সম্পদের পাহাড় গড়তে পারতেন। এমন একজন কেউ খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, সাইদুর রহমান প্যাটেল জুলুম বা অত্যাচার করেছেন। উপকার করার মানষিকতা নিয়ে কাজ করেছেন,সমাজে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। জীবনের যা কিছু মহান অর্জন তা শুধু শ্রম ঘামের বিনিময়ে অর্জন করেছেন।

বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নেতা হিসেবে পেয়েছিলেন এই উপমহাদেশের বিখ্যাত নেতা শেরেবাংলা এ কে এম ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে।আর সাইদুর রহমান প্যাটেল রাজনীতি গুরু হিসেবে পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। কালজয়ী এই নেতাদের উত্তরসূরি হিসেবে নীতি আদর্শে দীক্ষা নিয়ে আজীবন সচেষ্ট থেকেছেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট বাংলার অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর প্যাটেলকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে জেলে প্রেরন করা হয়।

জেলে থাকা অবস্হায় প্যাটেলকে মুক্তির শর্তে তৎকালীন জিয়া সরকার এম পি, মন্ত্রী বানানোর বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখান। কোন প্রকার প্রলোভনের সাড়া না দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই সমাজ এবং জাতীর কাছে পরীক্ষিত নেতা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিমের প্রতিষ্ঠিতা সাইদুর রহমান প্যাটেল – একথা তিনি মনে প্রানে বিশ্বাস করেন যে, তিনি বঙ্গবন্ধুর স্নেহ ভালোবাসা পেয়েছেন; পুত্রতুল্য ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন।বঙ্গবন্ধু বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন –আমার প্যাটেল। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যক্তি জীবনে আর কিছু হতে পারে না।
বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্নেহ, ভালোবাসা; স্মৃতি বুকে চেপে সাইদুর রহমান প্যাটেল নিরন্তর হেঁটে চলেছেন ইতিহাসের পথ ধরে…।

নিউজটি সম্পাদনা করেছেন —ফারুক আহম্মেদ সুজন।