পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

ছুটি না পেলেও ঈদে বাড়ি গেলেন তবে জীবিত নয় মৃত!

hotta2
ফারুক আহম্মেদ সুজন:এমদাদুল হক। একজন আনসার সদস্য। ঈদের পর আগামী ৬ আগস্ট ছুটি নেয়ার কথা ছিল। বাবা-মা, বড় ভাই, ভাবি ও ভাতিজাকে নিয়ে একসঙ্গে ঈদ করবেন। কিন্তু ঈদের ছুটির ছয়দিন আগেই বাড়ি ফিরতে হলো। তবে জীবিত নয় মৃত!

গত বুধবার দিবাগত রাতে কমলাপুর আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) ভবনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আনসার সদস্য এমদাদুল হককে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তবে এ ঘটনার দুইদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও হত্যার সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ।

পরিবারের লোকজন জানায়, ঈদের আগেই বাবার জন্য পাঞ্জাবি, মায়ের জন্য কাপড়, ভাবির জন্য থ্রি পিজ, ছোট ভাতিজার জন্য রিমোট সিস্টেমের মটরসাইকেল, বকসহ হরেক রকমের খেলনা কিনে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু ঈদে পেশাগত দায়িত্বের কারণে ছুটি পাননি। অপরদিকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দ উপভোগ করতে বড় ভাই আনসার সদস্য মঞ্জুরুল হককেও ঢাকায় আসতে বারণ করেছিল এমদাদ। কিন্তু হায়, ছয়দিন আগেই এমদাদ ফিরলেন গ্রামের বাড়ি। পরিবারের জন্য কেনা ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে নয়; লাশ হয়ে! দুর্বৃত্তরা তাকে বাঁচতে দেয়নি।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান পুর থানার এসআই মাসুদ বলেন, আনসার সদস্যরা নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। এছাড়া, মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। তাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

নিহত এমদাদুল হকের বড় ভাই মঞ্জুরুল হক জানান, ২০১২ সালে ইন্টামিডিয়েট পাস করার পর প্রায় এক বছর বেকার ছিলো এমদাদ। বাবা কৃষি কাজ করে পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে কষ্ট হচ্ছে দেখে এমদাদকে কিছু করার জন্য পরিবার থেকে চাপ দেয়া হয়। তাই ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে আনসার সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন এমদাদ। প্রতি মাসে ৮ হাজার ৭০০ টাকা বেতনের বেশির ভাগই হত দরিদ্র বাবা-মার জন্য পাঠাতেন। সামান্য আয়ের চাকরি দিয়ে নিজেদের ও পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে দুই ভাইকেই হিমসিম খেত হয়। তাই দু’জনই বন মন্ত্রণালয়ের ছোট পোস্টের চাকরির জন্য গত মাসের ২৩ তারিখে আবেদন করেন। কিন্তু চাকরির কোনো কূল-কিনারা হওয়ার আগেই আমার ভাই চলে গেছে।

টেলিফোনে এসব কথা বলতে গিয়ে কেঁদে উঠেন মঞ্জুরুল হক। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর মঞ্জুরুল হক কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “ভাই, দু’দিন পর্যন্ত আমার মা কোনো খাবার খায়নি। মা শুধু এমদাদের জামা-কাপড় জড়িয়ে ধরে কান্না করছে। আমরা এর বিচার চাই।”

তিনি বলেন, “এমদাদকে হত্যার দিন রাত ৯টা ১৭ মিনিটে তার সঙ্গে একবার কথা হয়। আবার রাত ১১টার দিকে বাবার সঙ্গে প্রায় ৩০ মিনিটের মতো কথা হয়। এরপরেই ওরা আমার ভাইরে মাইরা ফালাইছে।” এ কথা বলেই আবার কান্নায় ফেটে পড়েন মঞ্জুরুল।

আইসিডি ক্যাম্পের কোনো আনসার বা বাইরের কারো সঙ্গে এমদাদের শত্রুতা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার জানা মতে, ওর সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না।”

তিনি বলেন, “আমি ২৪ তারিখে ঈদের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসি। ২৫/২৬ জুলাই রাতে এমদাদ আমাকে ফোন করে। ওই সময় এমদাদ জানায়, রাতে আইসিডি ভবনে ডিউটি করা অবস্থায় ব্রাক টাওয়ারের পাশ থেকে এক চোরকে ধরে আনসার ক্যাম্পে নেয়। পরে ক্যাম্পের আনসাররা ওই চোরকে মারধর করে ছেড়ে দেয়।”

তবে এমদাদ হত্যা নেপথ্যে ওই চোরকে সন্দেহ করছেন না মঞ্জুরুল। তিনি বলেন, “আমি তো বাড়িতেই। এ ব্যাপারে ওই ক্যাম্পের অন্য আনসার সদস্যরা বলতে পারবে।”

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইসিডি আনসার ক্যাম্পের প্যালার্টুন কমান্ডার (পিসি) দুলাল মিয়া বলেন, “এমদাদ যাকে ধরেছে সে মূলত টোকাই। তাছাড়া, তার বয়স ১২/১৩ বছর হবে। তবে এমদাদকে হত্যার ঘটনায় তার পরিবার থেকে মামলা করা হয়নি। ”

নিহত এমদাদের ভাই মঞ্জুরুল হক বলেন, “আনসারের অফিসাররা বলেছেন, তারা মামলা করবেন। তাই করিনি। কিন্তু কয়েকদিন পর ঢাকায় এলে মামলা করবো।”

এদিকে এ ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গেট সার্জেন্ট সৈয়দ হুসাইন আহমদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

এ ব্যাপারে জানতে আনসারদের ডেপুটি ট্রাপিক ম্যানেজার আহমেদুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত এমদাদের ডিউটি ছিল। রাত ২টার দিকে মাসুদ নামের আরেক আনসার ওইস্থানে দায়িত্ব পালন করতে যান। এ সময় তিনি এমদাদকে না পেয়ে ক্যাম্পে বিষয়টি জানান।

এ ব্যাপারে আনসার সদস্য মাসুদ বলেন, রাত ২টার পর থেকে আমার শিপট শুরু হয়। তাই ২টার দিকে আইসিডি ভবনে গিয়ে এমদাদকে না পেয়ে আমরা খোঁজা-খুজি করতে থাকি। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গলায় কাপড়ের রশি পেচানো অবস্থায় তাকে ড্রেন থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে এমদাদকে কে বা কারা হত্যা করেছে তা বুঝে ওঠতে পারছেন না তিনি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর ক্যাম্পের অনেককে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ছুটি না পেলেও ঈদে বাড়ি গেলেন তবে জীবিত নয় মৃত!

আপডেট টাইম : ০৫:২৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০১৪

hotta2
ফারুক আহম্মেদ সুজন:এমদাদুল হক। একজন আনসার সদস্য। ঈদের পর আগামী ৬ আগস্ট ছুটি নেয়ার কথা ছিল। বাবা-মা, বড় ভাই, ভাবি ও ভাতিজাকে নিয়ে একসঙ্গে ঈদ করবেন। কিন্তু ঈদের ছুটির ছয়দিন আগেই বাড়ি ফিরতে হলো। তবে জীবিত নয় মৃত!

গত বুধবার দিবাগত রাতে কমলাপুর আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) ভবনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আনসার সদস্য এমদাদুল হককে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তবে এ ঘটনার দুইদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও হত্যার সঙ্গে জড়িত কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ।

পরিবারের লোকজন জানায়, ঈদের আগেই বাবার জন্য পাঞ্জাবি, মায়ের জন্য কাপড়, ভাবির জন্য থ্রি পিজ, ছোট ভাতিজার জন্য রিমোট সিস্টেমের মটরসাইকেল, বকসহ হরেক রকমের খেলনা কিনে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু ঈদে পেশাগত দায়িত্বের কারণে ছুটি পাননি। অপরদিকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দ উপভোগ করতে বড় ভাই আনসার সদস্য মঞ্জুরুল হককেও ঢাকায় আসতে বারণ করেছিল এমদাদ। কিন্তু হায়, ছয়দিন আগেই এমদাদ ফিরলেন গ্রামের বাড়ি। পরিবারের জন্য কেনা ঈদের নতুন পোশাক নিয়ে নয়; লাশ হয়ে! দুর্বৃত্তরা তাকে বাঁচতে দেয়নি।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান পুর থানার এসআই মাসুদ বলেন, আনসার সদস্যরা নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। এছাড়া, মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে। তাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

নিহত এমদাদুল হকের বড় ভাই মঞ্জুরুল হক জানান, ২০১২ সালে ইন্টামিডিয়েট পাস করার পর প্রায় এক বছর বেকার ছিলো এমদাদ। বাবা কৃষি কাজ করে পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে কষ্ট হচ্ছে দেখে এমদাদকে কিছু করার জন্য পরিবার থেকে চাপ দেয়া হয়। তাই ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে আনসার সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন এমদাদ। প্রতি মাসে ৮ হাজার ৭০০ টাকা বেতনের বেশির ভাগই হত দরিদ্র বাবা-মার জন্য পাঠাতেন। সামান্য আয়ের চাকরি দিয়ে নিজেদের ও পরিবারের ভরণ-পোষণ করতে দুই ভাইকেই হিমসিম খেত হয়। তাই দু’জনই বন মন্ত্রণালয়ের ছোট পোস্টের চাকরির জন্য গত মাসের ২৩ তারিখে আবেদন করেন। কিন্তু চাকরির কোনো কূল-কিনারা হওয়ার আগেই আমার ভাই চলে গেছে।

টেলিফোনে এসব কথা বলতে গিয়ে কেঁদে উঠেন মঞ্জুরুল হক। কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর মঞ্জুরুল হক কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “ভাই, দু’দিন পর্যন্ত আমার মা কোনো খাবার খায়নি। মা শুধু এমদাদের জামা-কাপড় জড়িয়ে ধরে কান্না করছে। আমরা এর বিচার চাই।”

তিনি বলেন, “এমদাদকে হত্যার দিন রাত ৯টা ১৭ মিনিটে তার সঙ্গে একবার কথা হয়। আবার রাত ১১টার দিকে বাবার সঙ্গে প্রায় ৩০ মিনিটের মতো কথা হয়। এরপরেই ওরা আমার ভাইরে মাইরা ফালাইছে।” এ কথা বলেই আবার কান্নায় ফেটে পড়েন মঞ্জুরুল।

আইসিডি ক্যাম্পের কোনো আনসার বা বাইরের কারো সঙ্গে এমদাদের শত্রুতা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার জানা মতে, ওর সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না।”

তিনি বলেন, “আমি ২৪ তারিখে ঈদের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসি। ২৫/২৬ জুলাই রাতে এমদাদ আমাকে ফোন করে। ওই সময় এমদাদ জানায়, রাতে আইসিডি ভবনে ডিউটি করা অবস্থায় ব্রাক টাওয়ারের পাশ থেকে এক চোরকে ধরে আনসার ক্যাম্পে নেয়। পরে ক্যাম্পের আনসাররা ওই চোরকে মারধর করে ছেড়ে দেয়।”

তবে এমদাদ হত্যা নেপথ্যে ওই চোরকে সন্দেহ করছেন না মঞ্জুরুল। তিনি বলেন, “আমি তো বাড়িতেই। এ ব্যাপারে ওই ক্যাম্পের অন্য আনসার সদস্যরা বলতে পারবে।”

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইসিডি আনসার ক্যাম্পের প্যালার্টুন কমান্ডার (পিসি) দুলাল মিয়া বলেন, “এমদাদ যাকে ধরেছে সে মূলত টোকাই। তাছাড়া, তার বয়স ১২/১৩ বছর হবে। তবে এমদাদকে হত্যার ঘটনায় তার পরিবার থেকে মামলা করা হয়নি। ”

নিহত এমদাদের ভাই মঞ্জুরুল হক বলেন, “আনসারের অফিসাররা বলেছেন, তারা মামলা করবেন। তাই করিনি। কিন্তু কয়েকদিন পর ঢাকায় এলে মামলা করবো।”

এদিকে এ ঘটনায় বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গেট সার্জেন্ট সৈয়দ হুসাইন আহমদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শাহজাহানপুর থানায় মামলা করেছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

এ ব্যাপারে জানতে আনসারদের ডেপুটি ট্রাপিক ম্যানেজার আহমেদুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত এমদাদের ডিউটি ছিল। রাত ২টার দিকে মাসুদ নামের আরেক আনসার ওইস্থানে দায়িত্ব পালন করতে যান। এ সময় তিনি এমদাদকে না পেয়ে ক্যাম্পে বিষয়টি জানান।

এ ব্যাপারে আনসার সদস্য মাসুদ বলেন, রাত ২টার পর থেকে আমার শিপট শুরু হয়। তাই ২টার দিকে আইসিডি ভবনে গিয়ে এমদাদকে না পেয়ে আমরা খোঁজা-খুজি করতে থাকি। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গলায় কাপড়ের রশি পেচানো অবস্থায় তাকে ড্রেন থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে এমদাদকে কে বা কারা হত্যা করেছে তা বুঝে ওঠতে পারছেন না তিনি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর ক্যাম্পের অনেককে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরার চেষ্টা চলছে।