পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

গাজায় ইসরাইলী আগ্রাসন বন্ধে বিশ্বে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_d075e8602134f3e52b385f71279d70a3_87206_1ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ এবং অবরোধ তুলে নিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লাখ লাখ মানুষ বিক্ষোভ করেছে।

শনিবারের এসব বিক্ষোভে লোক সমাগম আগের সব বিক্ষোভকে ছাড়িয়ে যায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীদেরকে ‘গাজা রক্ষা কর/ইসরাইলি হামলা বন্ধ কর/ফিলিস্তিন মুক্ত কর/ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান হোক’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড ও টি-শার্ট বহন করতে দেখা যায় এবং একই দাবিতে স্লোগান দেয় তারা।

এ সব বিক্ষোভে মুসলিম ও খৃস্টানদের পাশপাশি ইহুদিদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। ‘আমার নামে নয়/ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে ইহুদিরা’ লেখা টি-শার্ট পরে অনেক ইহুদি বিক্ষোভে অংশ নেয়।

শনিবার লন্ডন থেকে প্যারিস এবং তেহরান থেকে কেপটাউন বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এই গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনি সংহতি সংগঠন, মানবাধিকার বিষয়ক এনজিও এবং বিভিন্ন যুদ্ধবিরোধী সংগঠন এসব বিক্ষোভের আয়োজন করে।

লন্ডনে প্রথমে বিবিসি সদরদপ্তর অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তারা ইসরাইলের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য বিবিসি’র নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।

এরপর মিছিল নিয়ে বিক্ষোভকারীরা লন্ডনের হাইডাপার্কে জড়ো হয়। এ সময় ইসরাইলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান তারা। এই বিক্ষোভে প্রায় দেড় লাখ লোক অংশগ্রহণ করে।

কেপটাউনের বিক্ষোভে ডেসমন্ড টুটু
গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী কেপটাউনে। সেখানে অন্তত দুই লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বর্ণবাদ বিরোধী নেতা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অ্যাংলিকান আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু। এ সময় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন তিনি।

‘ইন ডিফেন্স ফিলিস্তিন’ মেনিফেস্টোতে ফিদেল কাস্ত্রোর সই
এদিকে, ফিলিস্তিনে দখলদারিত্বের অবসানে ইসরাইলকে জাতিসংঘ রেজ্যুলেশন মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ‘ইন ডিফেন্স ফিলিস্তিন’ ডকুমেন্টে সই করেছেন। এতে অন্যদের মধ্যে সই করেছেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আর্জেন্টিনার অ্যাডলফো পেরেজ এসকুইভেল, কিউবার নৃত্যশিল্পী অ্যালিসিয়া আলোনসো এবং মার্কিন লেখক অ্যালিস ওয়াল্কার।

এছাড়া তেহরানেও গাজার সমর্থনে বিক্ষোভ করেছে ইরানিরা। তেহরানেরর ‘ফিলিস্তিন স্কয়ারে ওই সমাবেশে কয়েকশ’ ডাক্তার, প্যারামেডিকস এবং নার্সও অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ হয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস এবং জার্মানির বার্লিনেও।

৮ জুলাই থেকে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরাইল। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দশ সহস্রাধিক। হতাহতদের ৭৩ ভাগই নিরীহ ফিলিস্তিনি যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

গাজায় ইসরাইলী আগ্রাসন বন্ধে বিশ্বে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০১:৫৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_d075e8602134f3e52b385f71279d70a3_87206_1ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ এবং অবরোধ তুলে নিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লাখ লাখ মানুষ বিক্ষোভ করেছে।

শনিবারের এসব বিক্ষোভে লোক সমাগম আগের সব বিক্ষোভকে ছাড়িয়ে যায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীদেরকে ‘গাজা রক্ষা কর/ইসরাইলি হামলা বন্ধ কর/ফিলিস্তিন মুক্ত কর/ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান হোক’ লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড ও টি-শার্ট বহন করতে দেখা যায় এবং একই দাবিতে স্লোগান দেয় তারা।

এ সব বিক্ষোভে মুসলিম ও খৃস্টানদের পাশপাশি ইহুদিদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। ‘আমার নামে নয়/ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে ইহুদিরা’ লেখা টি-শার্ট পরে অনেক ইহুদি বিক্ষোভে অংশ নেয়।

শনিবার লন্ডন থেকে প্যারিস এবং তেহরান থেকে কেপটাউন বিশ্বের বিভিন্ন শহরে এই গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিস্তিনি সংহতি সংগঠন, মানবাধিকার বিষয়ক এনজিও এবং বিভিন্ন যুদ্ধবিরোধী সংগঠন এসব বিক্ষোভের আয়োজন করে।

লন্ডনে প্রথমে বিবিসি সদরদপ্তর অভিমুখে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। এ সময় তারা ইসরাইলের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য বিবিসি’র নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।

এরপর মিছিল নিয়ে বিক্ষোভকারীরা লন্ডনের হাইডাপার্কে জড়ো হয়। এ সময় ইসরাইলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান তারা। এই বিক্ষোভে প্রায় দেড় লাখ লোক অংশগ্রহণ করে।

কেপটাউনের বিক্ষোভে ডেসমন্ড টুটু
গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী কেপটাউনে। সেখানে অন্তত দুই লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বর্ণবাদ বিরোধী নেতা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অ্যাংলিকান আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু। এ সময় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন তিনি।

‘ইন ডিফেন্স ফিলিস্তিন’ মেনিফেস্টোতে ফিদেল কাস্ত্রোর সই
এদিকে, ফিলিস্তিনে দখলদারিত্বের অবসানে ইসরাইলকে জাতিসংঘ রেজ্যুলেশন মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ‘ইন ডিফেন্স ফিলিস্তিন’ ডকুমেন্টে সই করেছেন। এতে অন্যদের মধ্যে সই করেছেন বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী আর্জেন্টিনার অ্যাডলফো পেরেজ এসকুইভেল, কিউবার নৃত্যশিল্পী অ্যালিসিয়া আলোনসো এবং মার্কিন লেখক অ্যালিস ওয়াল্কার।

এছাড়া তেহরানেও গাজার সমর্থনে বিক্ষোভ করেছে ইরানিরা। তেহরানেরর ‘ফিলিস্তিন স্কয়ারে ওই সমাবেশে কয়েকশ’ ডাক্তার, প্যারামেডিকস এবং নার্সও অংশগ্রহণ করেন। বিক্ষোভ হয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস এবং জার্মানির বার্লিনেও।

৮ জুলাই থেকে গাজায় আগ্রাসন চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরাইল। এতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দশ সহস্রাধিক। হতাহতদের ৭৩ ভাগই নিরীহ ফিলিস্তিনি যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।