অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

‘আ.লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বাধীনতা চায়নি’

ঢাকা : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিকেলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আয়োজিত ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়নি। হত্যা করা হয়েছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে সমগ্র নয় মাস ব্যাপী প্রতিটি দিন। ১৯৭১ সালে যারা আওয়ামী লীগ করে নাই, ভিন্নমত পোষণ করেন তাদেরকে হত্যা করার জন্য মুজিব বাহিনী তৈরি করা হয়ে ছিলো। আর যাতে প্রমাণিত হয়েছে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি।

ফখরুল আরো বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হতে পারে না। ওই নির্বাচন পৃথিবীর গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক নির্বাচন। আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবে না বলে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, আজ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের হাতে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের রক্ত চুয়ে শপথ নিতে হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর এর জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ লজ্জা শরম হায়াহীন অথচ মুখে গণতন্ত্রেও কথা বলে। তারা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। আজ ৪৩ বছর পর নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন গুম-খুন-হত্যার মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা করতে খালেদা জিয়ার আহবানে আরেকটি আন্দোলন সংগ্রামে শরীক হওয়ার সময় এসেছে।

স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আজকে যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করেন সেই আওয়ামী লীগ একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেননি। তাদের কেউ কেউ পাকিস্তানিদের কাছে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানে আবার কেউবা ভারতে চলে গিয়ে ছিলো। কিন্তু বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং রণাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে অনির্বাচিত সরকার দাবি করে তিনি বলেন, তারা নির্বাচন ছাড়া সরকার গঠন করে ক্ষমতার জোরে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আর এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় পাসের হার বাড়িয়ে দিয়ে জাতিকে নতুন করে মেধাশূন্য করা হচ্ছে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদীন ফারুকের সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর খন্দকার মোস্তাহিদুর রহমান প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

‘আ.লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বাধীনতা চায়নি’

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪

ঢাকা : আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিকেলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আয়োজিত ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শুধু ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়নি। হত্যা করা হয়েছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে সমগ্র নয় মাস ব্যাপী প্রতিটি দিন। ১৯৭১ সালে যারা আওয়ামী লীগ করে নাই, ভিন্নমত পোষণ করেন তাদেরকে হত্যা করার জন্য মুজিব বাহিনী তৈরি করা হয়ে ছিলো। আর যাতে প্রমাণিত হয়েছে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি।

ফখরুল আরো বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হতে পারে না। ওই নির্বাচন পৃথিবীর গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক নির্বাচন। আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারবে না বলে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা বাতিল করেছে।

তিনি বলেন, আজ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের হাতে যারা প্রাণ দিয়েছেন তাদের রক্ত চুয়ে শপথ নিতে হবে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর এর জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ লজ্জা শরম হায়াহীন অথচ মুখে গণতন্ত্রেও কথা বলে। তারা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে। আজ ৪৩ বছর পর নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করা হয়েছে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন গুম-খুন-হত্যার মাধ্যমে ধ্বংস করা হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা করতে খালেদা জিয়ার আহবানে আরেকটি আন্দোলন সংগ্রামে শরীক হওয়ার সময় এসেছে।

স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আজকে যারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি দাবি করেন সেই আওয়ামী লীগ একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেননি। তাদের কেউ কেউ পাকিস্তানিদের কাছে আত্মসমর্পণ করে পাকিস্তানে আবার কেউবা ভারতে চলে গিয়ে ছিলো। কিন্তু বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং রণাঙ্গণে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে অনির্বাচিত সরকার দাবি করে তিনি বলেন, তারা নির্বাচন ছাড়া সরকার গঠন করে ক্ষমতার জোরে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। আর এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় পাসের হার বাড়িয়ে দিয়ে জাতিকে নতুন করে মেধাশূন্য করা হচ্ছে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদীন ফারুকের সঞ্চালনায় বক্তব্যে রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার, ড. আব্দুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর খন্দকার মোস্তাহিদুর রহমান প্রমুখ।