পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ম্রেটোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার মানববন্ধ

বাংলার খবর২৪.কম,500x350_c707f4239230e6193f68f8100b6b8d72_Khulna MUJ Pic-20-08-14খুলনা : নতুন সম্প্রচার নীতিমালা করে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে আবারো বাকশাল কায়েম করতে চায়। সত্য প্রকাশের বাধা সৃষ্টিকারী এ নীতিমালার বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এটিকে আইনে পরিণত করতে না পারে। এ নীতিমালা যারা সমর্থন করছেন, তারাও একদিন এর ফাদে পড়বেন। তাই আজ নিজেদের মধ্যেও মতপার্থক্য ভুলে গিয়ে সাংবাদিকদের দমননীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বুধবার দুপুরে নগরীর স্যার ইকবাল রোডস্থ খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার (এমইউজে) সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা’র পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক অনির্বাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আলী আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ আনিসুর রহমান বিশ্বাস ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শেখ দিদারুল আলম। এতে বক্তব্য রাখেন, ন্যাশনাল ইন্টারেষ্ট গ্র“পের সদস্য সচিব এডভোকেট শাহ আলম, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম ও এরশাদ আলী, এমইউজের সহ-সভাপতি এহতেশামূল হক শাওন, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আজীজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচএম আলাউদ্দিন, রূপসা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ জুবায়ের, মহানগর যুবদলের সভাপতি শফিকুল আলম তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ, ছাত্রশিবিরের হুমায়ুন কবীর, সাংবাদিক নেতা হারুন অর রশীদ, কেএম জিয়াউস সাদাত, সাইফুল ইসলাম বাবলু, মাকসুদ আলী, আবুল হাসান শেখ, সেলিম গাজী, আহমদ মুসা রঞ্জু, নাহিদ আঞ্জুমান নয়ন, কামরুল হোসেন মনি, ওবাইদুর রহমান সোহাগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাওন আহমেদ, শফিকুল ইসলাম নয়ন, আলী আযম মোঃ তাজ, ইমতিয়াজ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, আশিকুর রহমান আশিক, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া মানববন্ধনে খুলনার বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বলেন, বাকশাল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা করা হয়েছে। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা একটি মাত্র উদ্দেশ্যে তা হলো, অঘোষিতভাবে বাকশালকে প্রতিষ্ঠিত করা। সংবিধানে আমাদের যে অধিকার রয়েছে, কথা বলার স্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এসব ছাড়া গণতন্ত্র হতে পারে না। এ জন্য গণতন্ত্র ও আওয়ামী লীগ কখনো একসাথে চলতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিএফইউজের নেতা শেখ দিদারুল আলম বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা হলো মৌলিক অধিকার। সংবাদপত্র হলো মানুষের কণ্ঠ। তিনি বলেন, সংবাদ পত্রের পর এবার বিচার ব্যবস্থাকে তারা ধ্বংস করছে। এ জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান।
প্যানেল মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ক্ষমতায় থাকার পথটি নির্বিঘœ করতেই সরকার এ নীতিমালাটি করছে। তিনি বলেন, লুণ্ঠন, হত্যাসহ যাই করা হোক না কেন, তার যেন কেউ সমালোচনা করতে না পারে, সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে, তাই এ নীতিমালা। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে এ নীতিমালা কাজে লাগানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আনিসুজ্জামান বলেন, এ নীতিমালা নিয়ে ‘অবৈধ সরকার’ প্রথম থেকেই মিথ্যাচার করছে। নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যেই এটি করছেন তারা। আমরা এ সরকারকেই মানিনা। যদি সরকার বৈধ হতো তাহলে আমরা প্যারালাল কিছু করতাম। তিনি বলেন, জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। সরকার ক্ষমতায় থাকতে যা যা করা দরকার সবই করছে। তিনি আগামী দিনে সরকার বিরোধী আন্দোলনে পেশাজীবীরা রাজপথে থাকবে বলে ঘোষণা দেন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ম্রেটোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার মানববন্ধ

আপডেট টাইম : ০২:৪৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম,500x350_c707f4239230e6193f68f8100b6b8d72_Khulna MUJ Pic-20-08-14খুলনা : নতুন সম্প্রচার নীতিমালা করে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে আবারো বাকশাল কায়েম করতে চায়। সত্য প্রকাশের বাধা সৃষ্টিকারী এ নীতিমালার বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এটিকে আইনে পরিণত করতে না পারে। এ নীতিমালা যারা সমর্থন করছেন, তারাও একদিন এর ফাদে পড়বেন। তাই আজ নিজেদের মধ্যেও মতপার্থক্য ভুলে গিয়ে সাংবাদিকদের দমননীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
বুধবার দুপুরে নগরীর স্যার ইকবাল রোডস্থ খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার (এমইউজে) সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা’র পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, দৈনিক অনির্বাণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আলী আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ আনিসুর রহমান বিশ্বাস ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য শেখ দিদারুল আলম। এতে বক্তব্য রাখেন, ন্যাশনাল ইন্টারেষ্ট গ্র“পের সদস্য সচিব এডভোকেট শাহ আলম, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম ও এরশাদ আলী, এমইউজের সহ-সভাপতি এহতেশামূল হক শাওন, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক আজীজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচএম আলাউদ্দিন, রূপসা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল্লাহ জুবায়ের, মহানগর যুবদলের সভাপতি শফিকুল আলম তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ, ছাত্রশিবিরের হুমায়ুন কবীর, সাংবাদিক নেতা হারুন অর রশীদ, কেএম জিয়াউস সাদাত, সাইফুল ইসলাম বাবলু, মাকসুদ আলী, আবুল হাসান শেখ, সেলিম গাজী, আহমদ মুসা রঞ্জু, নাহিদ আঞ্জুমান নয়ন, কামরুল হোসেন মনি, ওবাইদুর রহমান সোহাগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাওন আহমেদ, শফিকুল ইসলাম নয়ন, আলী আযম মোঃ তাজ, ইমতিয়াজ উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম বাবু, আশিকুর রহমান আশিক, শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া মানববন্ধনে খুলনার বিভিন্ন রাজনৈতিক, পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বলেন, বাকশাল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা করা হয়েছে। জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা একটি মাত্র উদ্দেশ্যে তা হলো, অঘোষিতভাবে বাকশালকে প্রতিষ্ঠিত করা। সংবিধানে আমাদের যে অধিকার রয়েছে, কথা বলার স্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এসব ছাড়া গণতন্ত্র হতে পারে না। এ জন্য গণতন্ত্র ও আওয়ামী লীগ কখনো একসাথে চলতে পারে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বিএফইউজের নেতা শেখ দিদারুল আলম বলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, কথা বলার স্বাধীনতা হলো মৌলিক অধিকার। সংবাদপত্র হলো মানুষের কণ্ঠ। তিনি বলেন, সংবাদ পত্রের পর এবার বিচার ব্যবস্থাকে তারা ধ্বংস করছে। এ জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান।
প্যানেল মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ক্ষমতায় থাকার পথটি নির্বিঘœ করতেই সরকার এ নীতিমালাটি করছে। তিনি বলেন, লুণ্ঠন, হত্যাসহ যাই করা হোক না কেন, তার যেন কেউ সমালোচনা করতে না পারে, সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে, তাই এ নীতিমালা। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে এ নীতিমালা কাজে লাগানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোঃ আনিসুজ্জামান বলেন, এ নীতিমালা নিয়ে ‘অবৈধ সরকার’ প্রথম থেকেই মিথ্যাচার করছে। নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যেই এটি করছেন তারা। আমরা এ সরকারকেই মানিনা। যদি সরকার বৈধ হতো তাহলে আমরা প্যারালাল কিছু করতাম। তিনি বলেন, জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। সরকার ক্ষমতায় থাকতে যা যা করা দরকার সবই করছে। তিনি আগামী দিনে সরকার বিরোধী আন্দোলনে পেশাজীবীরা রাজপথে থাকবে বলে ঘোষণা দেন।