অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রাম সীমান্তে পথভ্রষ্ট কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড। Logo বিআরটিএ সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি ৭ জনের Logo শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও গাছের চারা দিয়ে সংবর্ধনা Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক Logo লালমনিরহাটে শিবরাম স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ

দাকোপে ৬টি বন্দুকসহ বনদস্যু আটক

বাংলার খবর২৪.কমwpid-banglarkhabar24-banner.png.png, খুলনা : দেশি তৈরি ছয়টি একনলা বন্দুকসহ সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু তপন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য সঞ্জয় রপ্তানকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে। গত রবিবার গভীর রাতে দাকোপ উপজেলার হুলারচক দক্ষিণপাড়া থেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের হুলারচক দক্ষিণপাড়া থেকে এলাকাবাসী বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তানকে আটক করে। এ সময় বনদস্যু প্রধান তপন মন্ডল পালিয়ে যায়। গণপিটুনি দিয়ে এলাকাবাসী বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তানকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই দিন রাতেই স্থানীয় বুটেমারী ফরেস্ট অফিসের পার্শ্ববর্তী একটি খালের পাড়ে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দেশি তৈরি ৬টি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞসাবাদে আটক বনদস্যু সঞ্জয় জানায়, সেসহ বাহিনী প্রধান তপন মন্ডল ও তার ভাই স্বপন মন্ডল এবং জয়সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন বনদস্যু এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তান উপজেলার কালাবগি গ্রামের অজিত রপ্তানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও দস্যুতাসহ দাকোপ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের লাশ উদ্ধার
দাকোপের পশুর নদীতে মালবাহী ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ সোহরাব হোসেন হাওলাদার, লোকমান হোসেন ও সোহেল আহম্মেদের লাশ গত রবিবার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে খুলনার ১ নম্বর কাস্টম ঘাট থেকে একটি মালবাহী ট্রলার দাকোপের সুতারখালীর আছিয়া সী ফুডের একটি ২শ কেবি ওয়াটের জেনারেটর নিয়ে রওনা দেয়। পথিমধ্যে রাত ৮টার দিকে দাকোপ উপজেলা সদর চালনার পশুর নদীর ত্রি-মোহনায় পৌঁছালে প্রবল ঢেউয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় ট্রলারে থাকা ৭ জনের মধ্যে ৪ জন সাঁতরিয়ে নদীর পাড়ে উঠতে পারলেও সোহরাব হোসেন হাওলাদার, লোকমান হোসেন ও সোহেল আহম্মেদ নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় গত রবিবার গভীর রাতে পুলিশ বিভিন্ন নদী থেকে তাদের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। গতকাল সোমবার তাদের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ট্রলার মালিক ফজলুর রহমান ও ট্রলারের মাঝি হাবিব ভুঁইয়াকে আসামি করে স্থানীয় থানায় মামলা করেছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রাম সীমান্তে পথভ্রষ্ট কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

দাকোপে ৬টি বন্দুকসহ বনদস্যু আটক

আপডেট টাইম : ০২:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমwpid-banglarkhabar24-banner.png.png, খুলনা : দেশি তৈরি ছয়টি একনলা বন্দুকসহ সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু তপন বাহিনীর সক্রিয় সদস্য সঞ্জয় রপ্তানকে এলাকাবাসী আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে। গত রবিবার গভীর রাতে দাকোপ উপজেলার হুলারচক দক্ষিণপাড়া থেকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের হুলারচক দক্ষিণপাড়া থেকে এলাকাবাসী বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তানকে আটক করে। এ সময় বনদস্যু প্রধান তপন মন্ডল পালিয়ে যায়। গণপিটুনি দিয়ে এলাকাবাসী বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তানকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই দিন রাতেই স্থানীয় বুটেমারী ফরেস্ট অফিসের পার্শ্ববর্তী একটি খালের পাড়ে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় দেশি তৈরি ৬টি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের জিজ্ঞসাবাদে আটক বনদস্যু সঞ্জয় জানায়, সেসহ বাহিনী প্রধান তপন মন্ডল ও তার ভাই স্বপন মন্ডল এবং জয়সহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন বনদস্যু এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বনদস্যু সঞ্জয় রপ্তান উপজেলার কালাবগি গ্রামের অজিত রপ্তানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও দস্যুতাসহ দাকোপ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের লাশ উদ্ধার
দাকোপের পশুর নদীতে মালবাহী ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ সোহরাব হোসেন হাওলাদার, লোকমান হোসেন ও সোহেল আহম্মেদের লাশ গত রবিবার রাতে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে খুলনার ১ নম্বর কাস্টম ঘাট থেকে একটি মালবাহী ট্রলার দাকোপের সুতারখালীর আছিয়া সী ফুডের একটি ২শ কেবি ওয়াটের জেনারেটর নিয়ে রওনা দেয়। পথিমধ্যে রাত ৮টার দিকে দাকোপ উপজেলা সদর চালনার পশুর নদীর ত্রি-মোহনায় পৌঁছালে প্রবল ঢেউয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ওই সময় ট্রলারে থাকা ৭ জনের মধ্যে ৪ জন সাঁতরিয়ে নদীর পাড়ে উঠতে পারলেও সোহরাব হোসেন হাওলাদার, লোকমান হোসেন ও সোহেল আহম্মেদ নদীতে ডুবে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় গত রবিবার গভীর রাতে পুলিশ বিভিন্ন নদী থেকে তাদের ভাসমান লাশ উদ্ধার করে। গতকাল সোমবার তাদের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ ট্রলার মালিক ফজলুর রহমান ও ট্রলারের মাঝি হাবিব ভুঁইয়াকে আসামি করে স্থানীয় থানায় মামলা করেছে।