পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নীলফামারীতে শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৫, আইসিইউতে ১ জনের মৃত্যু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে পথভ্রষ্ট কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর Logo মিরপুর বিআরটিএ-তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ছয়জনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদন্ড। Logo বিআরটিএ সহকারী পরিচালক থেকে উপপরিচালক পদে পদোন্নতি ৭ জনের Logo শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও গাছের চারা দিয়ে সংবর্ধনা Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় গরু ও আগরবাতি আটক Logo পাটগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে যুগের আলো পত্রিকার ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo জলসিড়ি আবাসনের সাথে রূপগঞ্জের জমি মালিকদের সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিলেন এমপি দিপু ভুঁইয়া Logo হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে মাদক ও মোটরসাইকেল পার্টস আটক Logo মিরপুর বিআরটিএতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৯ জন দালাল আটক

এনএসআইয়ের সুপারিশে ১৮২ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_79f4ff89f75ea864f84c27bc59fbe7ad_image_97856_0জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৮২ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সনদ বাতিল করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মন্ত্রী জানান, এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা বেগমের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, “ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে বর্তমানে সুবিধা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি, তাদের চলতি বছর ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বরাবর অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আবেদনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক গেজেটভুক্ত করে তাদের নামে সনদ ইস্যু করা হবে।”

ফাহমী গোলন্দাজ বাবুলের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “সব উপজেলায় ‘মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। গত বছরের জুলাই মাসে এর বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। মোট এক হাজার ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২২টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ২০১৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির আওতায় ইতিমধ্যে ১০টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং ১১৮টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে ৮১টি কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের উত্তরে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সংসদকে জানান, সারা দেশে বর্তমানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে মোট ৫৫ দশমিক ৭২৪৫ একর জমি ও ১৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
নুরজাহান বেগমের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও চিহ্নিত রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর প্রধানদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারকাজ শুরু করা হবে।” ভবিষ্যতে রাজাকার, আলবদর ও মানবতাবিরোধীদের উপজেলাভিত্তিক তালিকা করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিতে পারে জানান মন্ত্রী।”

মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে সারা দেশে ভাতাপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৫৭ জন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে গজনবী সড়কে শহীদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণার্থে দুটি বেজমেন্টসহ ১৫ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। নির্মিত ভবনে ৮৪টি ফ্ল্যাট ও ৭৪টি দোকান রয়েছে।”

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে শ্যাম্পুর খালি প্যাকেট নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৫, আইসিইউতে ১ জনের মৃত্যু

এনএসআইয়ের সুপারিশে ১৮২ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

আপডেট টাইম : ০৬:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_79f4ff89f75ea864f84c27bc59fbe7ad_image_97856_0জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী ১৮২ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সনদ বাতিল করা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মন্ত্রী জানান, এসব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা বেগমের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, “ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে বর্তমানে সুবিধা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি, তাদের চলতি বছর ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বরাবর অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। আবেদনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক গেজেটভুক্ত করে তাদের নামে সনদ ইস্যু করা হবে।”

ফাহমী গোলন্দাজ বাবুলের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “সব উপজেলায় ‘মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প’ নামে একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। গত বছরের জুলাই মাসে এর বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। মোট এক হাজার ৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২২টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ২০১৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির আওতায় ইতিমধ্যে ১০টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং ১১৮টি উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে ৮১টি কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

এ কে এম রহমতুল্লাহর এক প্রশ্নের উত্তরে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সংসদকে জানান, সারা দেশে বর্তমানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে মোট ৫৫ দশমিক ৭২৪৫ একর জমি ও ১৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
নুরজাহান বেগমের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও চিহ্নিত রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর প্রধানদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারকাজ শুরু করা হবে।” ভবিষ্যতে রাজাকার, আলবদর ও মানবতাবিরোধীদের উপজেলাভিত্তিক তালিকা করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিতে পারে জানান মন্ত্রী।”

মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে সারা দেশে ভাতাপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৫৭ জন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে গজনবী সড়কে শহীদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণার্থে দুটি বেজমেন্টসহ ১৫ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। নির্মিত ভবনে ৮৪টি ফ্ল্যাট ও ৭৪টি দোকান রয়েছে।”