অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

আইএস-এর অবস্থানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা

বাংলার খবর২৪.কমus_51727(2) ডেস্ক : আমেরিকান সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের দমন করতে তাদের নেওয়া নতুন কৌশলের অংশ হিসাবে ইরাকে প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে।

আমেরিকান জঙ্গী বিমান ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থনে দেশের উত্তরে এবং বাগদাদের কাছে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বলছে, গত ক’দিনে ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে হামলা তারা চালিয়েছে, সেটা আগের হামলাগুলোর চেয়ে আলাদা।

তাদের আগের রণকৌশলের লক্ষ্য ছিল ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবিক ত্রাণ সাহায্য যোগানোর লক্ষ্যে।

কিন্তু এবার তারা ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যেই এসব হামলা চালাচ্ছে।

বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের একটি ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করছে তারা।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সিনাজারেও মার্কিন বিমান হামলায় জঙ্গিদের ছয়টি গাড়ী ধ্বংস হয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা গত বুধবার ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলার জন্য যে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তার পরই সেখানে মার্কিন বিমান হামলা জোরদার করা হলো।

প্রেসিডেন্ট ওবামার চার দফা পরিকল্পনায় বিমান হামলার পাশাপাশি ইরাকের স্থল বাহিনীকে সামরিক সাজ-সরঞ্জাম এবং কারিগরি সহায়তা দেয়ার কথাও রয়েছে।

কিন্তু এই কৌশলে যদি ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের পরাস্ত করা না যায়, সেক্ষেত্রে ইরাকে আবারও আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের দরকার হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনীর এক সাবেক অধিনায়ক কর্নেল রিচার্ড কেম্প বলেন, ইসলামিক স্টেটকে মোকাবেলায় যে আন্তর্জাতিক জোট তৈরি হয়েছে, তাদেরকে হয়তো শেষ পর্যন্ত ইরাকে এবং সিরিয়ায় স্থল বাহিনী পাঠাতে হবে। এবং সত্যিকারের সমস্যা শুরু হবে এখান থেকেই।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাহিনী দিয়ে যদি জঙ্গীদের দমন করা না যায়, তখন এ ছাড়া উপায় থাকবে না।

এদিকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলায় প্যারিস সম্মেলনে ইরানকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরাক।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম আল জাফারি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরান এই কাজে ইরাককে সাহায্য করছে, কাজেই তাদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। সূত্র : বিবিসি

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

আইএস-এর অবস্থানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমus_51727(2) ডেস্ক : আমেরিকান সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের দমন করতে তাদের নেওয়া নতুন কৌশলের অংশ হিসাবে ইরাকে প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে।

আমেরিকান জঙ্গী বিমান ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থনে দেশের উত্তরে এবং বাগদাদের কাছে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বলছে, গত ক’দিনে ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে হামলা তারা চালিয়েছে, সেটা আগের হামলাগুলোর চেয়ে আলাদা।

তাদের আগের রণকৌশলের লক্ষ্য ছিল ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবিক ত্রাণ সাহায্য যোগানোর লক্ষ্যে।

কিন্তু এবার তারা ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যেই এসব হামলা চালাচ্ছে।

বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের একটি ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করছে তারা।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সিনাজারেও মার্কিন বিমান হামলায় জঙ্গিদের ছয়টি গাড়ী ধ্বংস হয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা গত বুধবার ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলার জন্য যে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তার পরই সেখানে মার্কিন বিমান হামলা জোরদার করা হলো।

প্রেসিডেন্ট ওবামার চার দফা পরিকল্পনায় বিমান হামলার পাশাপাশি ইরাকের স্থল বাহিনীকে সামরিক সাজ-সরঞ্জাম এবং কারিগরি সহায়তা দেয়ার কথাও রয়েছে।

কিন্তু এই কৌশলে যদি ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের পরাস্ত করা না যায়, সেক্ষেত্রে ইরাকে আবারও আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের দরকার হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনীর এক সাবেক অধিনায়ক কর্নেল রিচার্ড কেম্প বলেন, ইসলামিক স্টেটকে মোকাবেলায় যে আন্তর্জাতিক জোট তৈরি হয়েছে, তাদেরকে হয়তো শেষ পর্যন্ত ইরাকে এবং সিরিয়ায় স্থল বাহিনী পাঠাতে হবে। এবং সত্যিকারের সমস্যা শুরু হবে এখান থেকেই।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাহিনী দিয়ে যদি জঙ্গীদের দমন করা না যায়, তখন এ ছাড়া উপায় থাকবে না।

এদিকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলায় প্যারিস সম্মেলনে ইরানকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরাক।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম আল জাফারি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরান এই কাজে ইরাককে সাহায্য করছে, কাজেই তাদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। সূত্র : বিবিসি