অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড় Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযান,৪ ভারতীয় গরু আটক Logo জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুতা বন্ধ ও খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের সভা ও ঝাড়ু মিছিল Logo পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে বিআরটিএ’তে যুবক আটক Logo পাটগ্রামে দবীর উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০ রোগীকে আর্থিক সহায়তা Logo চলন্ত ট্রেনে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়, চার পুলিশ প্রত্যাহার Logo ৪ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ Logo লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আইএস-এর অবস্থানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা

বাংলার খবর২৪.কমus_51727(2) ডেস্ক : আমেরিকান সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের দমন করতে তাদের নেওয়া নতুন কৌশলের অংশ হিসাবে ইরাকে প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে।

আমেরিকান জঙ্গী বিমান ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থনে দেশের উত্তরে এবং বাগদাদের কাছে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বলছে, গত ক’দিনে ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে হামলা তারা চালিয়েছে, সেটা আগের হামলাগুলোর চেয়ে আলাদা।

তাদের আগের রণকৌশলের লক্ষ্য ছিল ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবিক ত্রাণ সাহায্য যোগানোর লক্ষ্যে।

কিন্তু এবার তারা ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যেই এসব হামলা চালাচ্ছে।

বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের একটি ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করছে তারা।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সিনাজারেও মার্কিন বিমান হামলায় জঙ্গিদের ছয়টি গাড়ী ধ্বংস হয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা গত বুধবার ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলার জন্য যে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তার পরই সেখানে মার্কিন বিমান হামলা জোরদার করা হলো।

প্রেসিডেন্ট ওবামার চার দফা পরিকল্পনায় বিমান হামলার পাশাপাশি ইরাকের স্থল বাহিনীকে সামরিক সাজ-সরঞ্জাম এবং কারিগরি সহায়তা দেয়ার কথাও রয়েছে।

কিন্তু এই কৌশলে যদি ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের পরাস্ত করা না যায়, সেক্ষেত্রে ইরাকে আবারও আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের দরকার হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনীর এক সাবেক অধিনায়ক কর্নেল রিচার্ড কেম্প বলেন, ইসলামিক স্টেটকে মোকাবেলায় যে আন্তর্জাতিক জোট তৈরি হয়েছে, তাদেরকে হয়তো শেষ পর্যন্ত ইরাকে এবং সিরিয়ায় স্থল বাহিনী পাঠাতে হবে। এবং সত্যিকারের সমস্যা শুরু হবে এখান থেকেই।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাহিনী দিয়ে যদি জঙ্গীদের দমন করা না যায়, তখন এ ছাড়া উপায় থাকবে না।

এদিকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলায় প্যারিস সম্মেলনে ইরানকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরাক।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম আল জাফারি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরান এই কাজে ইরাককে সাহায্য করছে, কাজেই তাদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। সূত্র : বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড়

আইএস-এর অবস্থানের ওপর মার্কিন বিমান হামলা

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমus_51727(2) ডেস্ক : আমেরিকান সেনাবাহিনী ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের দমন করতে তাদের নেওয়া নতুন কৌশলের অংশ হিসাবে ইরাকে প্রথমবারের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে।

আমেরিকান জঙ্গী বিমান ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থনে দেশের উত্তরে এবং বাগদাদের কাছে লক্ষ্যবস্তুর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বলছে, গত ক’দিনে ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে হামলা তারা চালিয়েছে, সেটা আগের হামলাগুলোর চেয়ে আলাদা।

তাদের আগের রণকৌশলের লক্ষ্য ছিল ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবিক ত্রাণ সাহায্য যোগানোর লক্ষ্যে।

কিন্তু এবার তারা ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইরাকি বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যেই এসব হামলা চালাচ্ছে।

বাগদাদের দক্ষিণ-পশ্চিমে মার্কিন বিমান হামলায় ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের একটি ঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করছে তারা।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সিনাজারেও মার্কিন বিমান হামলায় জঙ্গিদের ছয়টি গাড়ী ধ্বংস হয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা গত বুধবার ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলার জন্য যে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তার পরই সেখানে মার্কিন বিমান হামলা জোরদার করা হলো।

প্রেসিডেন্ট ওবামার চার দফা পরিকল্পনায় বিমান হামলার পাশাপাশি ইরাকের স্থল বাহিনীকে সামরিক সাজ-সরঞ্জাম এবং কারিগরি সহায়তা দেয়ার কথাও রয়েছে।

কিন্তু এই কৌশলে যদি ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের পরাস্ত করা না যায়, সেক্ষেত্রে ইরাকে আবারও আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের দরকার হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

আফগানিস্তানে ব্রিটিশ বাহিনীর এক সাবেক অধিনায়ক কর্নেল রিচার্ড কেম্প বলেন, ইসলামিক স্টেটকে মোকাবেলায় যে আন্তর্জাতিক জোট তৈরি হয়েছে, তাদেরকে হয়তো শেষ পর্যন্ত ইরাকে এবং সিরিয়ায় স্থল বাহিনী পাঠাতে হবে। এবং সত্যিকারের সমস্যা শুরু হবে এখান থেকেই।

তিনি বলেন, স্থানীয় বাহিনী দিয়ে যদি জঙ্গীদের দমন করা না যায়, তখন এ ছাড়া উপায় থাকবে না।

এদিকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের মোকাবেলায় প্যারিস সম্মেলনে ইরানকে যে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইরাক।

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহীম আল জাফারি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ইরান এই কাজে ইরাককে সাহায্য করছে, কাজেই তাদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। সূত্র : বিবিসি