অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ ॥ তদন্তে মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ॥

rupgonj pic-02-dt-20-07-14রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)  ঃ  রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির  ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১ বছরে তিনি ঘুষ ও দূর্নীতি করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষা অফিসারের মাত্রাতিরিক্ত ঘুষ বানিজ্য ও দূনীর্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের পক্ষ থেকে বিস্তর অভিযোগ সম্পন্ন একটি লিখিত অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠোনো হলে রবিবার অভিযোগ তদন্ত করতে রূপগঞ্জে আসেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহিনা বেগম।
রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রূগগঞ্জে বছর খানেক আগে জয়েন করেন। জয়েন করার পর থেকেই সিলেবাস বানিজ্য, বদলি বাণিজ্য, নম্বরপত্র বাণিজ্য, স্কুলের পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির টাকা আত্বসাৎ, সিটিজেন চার্টার, ফেস্টুন, নেমকার্ড, বেজ বানিজ্য, গোডাউনের নতুন ও পুরাতন বউ বিক্রিসহ ব্যাপক দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গত ১ বছরে তিনি ঘুষ ও দূর্নীতি করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে তার এ ঘুষ দূর্নীতির সাথে ২/৩ জন তেলবাজ শিক্ষকনেতাও জড়িত বলে জানা গেছে। ১৬ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করে তিনি থাকেন পিংক সিটিতে ২৫ হাজার টাকায় ডুপ্লেক্স বাড়ী ভাড়া নিয়ে। গত ৪ মাস আগে মাহমুদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির লক্ষাধীক টাকা আত্বসাৎ করেন এবং ঐ ভবনের কাঠ দিয়ে নিজ ঘরের আসবারপত্রও তৈরী করেছেন। ২০১৪ইং সালে ৩০ জন শিক্ষকের বদলি বাণিজ্য করে ঘুষ বাণিজ্য করেছেন ১০ লক্ষাধীক টাকা। ২০১৪ইং সালের বই বিতরন বাবদ ১১২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৫০টি কিন্ডারগার্টেন থেকে ৫০ টাকা করে ৩০ হাজার ৬শত টাকা আদায় করেন। সিলেবাস বাণিজ্য করে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা কামিয়েছেন যা অবৈধ। টেন্ডার না দিয়ে নিজ উদ্যোগে নেমকার্ড, বেজকার্ড বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। শিক্ষক পরিচিতি চার্ট , সিটিজেন’স চার্টার ও স্বপ্নের বিদ্যালয় ফেস্টুন করে হাতিয়ে নিয়েছেন ৬১ হাজার ৬ শত টাকা। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিজ উদ্যোগে নম্বরপত্র বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন ২ লাখ টাকা। এছাড়া মোবাইল সিম বিক্রি, তার মন মত কাজ করতে শিক্ষকদের কাজ থেকে রেজুলেশন খাতার সাদা কাগজে স্বাক্ষর, স্কুলের বিদ্যুৎ বানিজ্যিক ভাবে বিতরনসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,ৃ আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। তবে কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবেন তিনি তা মেনে নিবেন। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহিনা বেগম জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি তদন্তে এসেছেন, তদন্ত রির্পোট যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। তবে রহস্যজনক কারনে শাহিনা বেগম তদন্তের কথা স্বীকার করলেও তার নামটি বলতে রাজি হননি।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোগ ॥ তদন্তে মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ॥

আপডেট টাইম : ১২:০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০১৪

rupgonj pic-02-dt-20-07-14রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)  ঃ  রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির  ব্যাপক অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১ বছরে তিনি ঘুষ ও দূর্নীতি করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষা অফিসারের মাত্রাতিরিক্ত ঘুষ বানিজ্য ও দূনীর্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের পক্ষ থেকে বিস্তর অভিযোগ সম্পন্ন একটি লিখিত অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠোনো হলে রবিবার অভিযোগ তদন্ত করতে রূপগঞ্জে আসেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহিনা বেগম।
রূপগঞ্জ উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দের অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রূগগঞ্জে বছর খানেক আগে জয়েন করেন। জয়েন করার পর থেকেই সিলেবাস বানিজ্য, বদলি বাণিজ্য, নম্বরপত্র বাণিজ্য, স্কুলের পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির টাকা আত্বসাৎ, সিটিজেন চার্টার, ফেস্টুন, নেমকার্ড, বেজ বানিজ্য, গোডাউনের নতুন ও পুরাতন বউ বিক্রিসহ ব্যাপক দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গত ১ বছরে তিনি ঘুষ ও দূর্নীতি করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তবে তার এ ঘুষ দূর্নীতির সাথে ২/৩ জন তেলবাজ শিক্ষকনেতাও জড়িত বলে জানা গেছে। ১৬ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করে তিনি থাকেন পিংক সিটিতে ২৫ হাজার টাকায় ডুপ্লেক্স বাড়ী ভাড়া নিয়ে। গত ৪ মাস আগে মাহমুদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের মালামাল বিক্রির লক্ষাধীক টাকা আত্বসাৎ করেন এবং ঐ ভবনের কাঠ দিয়ে নিজ ঘরের আসবারপত্রও তৈরী করেছেন। ২০১৪ইং সালে ৩০ জন শিক্ষকের বদলি বাণিজ্য করে ঘুষ বাণিজ্য করেছেন ১০ লক্ষাধীক টাকা। ২০১৪ইং সালের বই বিতরন বাবদ ১১২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৫০টি কিন্ডারগার্টেন থেকে ৫০ টাকা করে ৩০ হাজার ৬শত টাকা আদায় করেন। সিলেবাস বাণিজ্য করে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা কামিয়েছেন যা অবৈধ। টেন্ডার না দিয়ে নিজ উদ্যোগে নেমকার্ড, বেজকার্ড বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। শিক্ষক পরিচিতি চার্ট , সিটিজেন’স চার্টার ও স্বপ্নের বিদ্যালয় ফেস্টুন করে হাতিয়ে নিয়েছেন ৬১ হাজার ৬ শত টাকা। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিজ উদ্যোগে নম্বরপত্র বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন ২ লাখ টাকা। এছাড়া মোবাইল সিম বিক্রি, তার মন মত কাজ করতে শিক্ষকদের কাজ থেকে রেজুলেশন খাতার সাদা কাগজে স্বাক্ষর, স্কুলের বিদ্যুৎ বানিজ্যিক ভাবে বিতরনসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। রূপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তদন্তের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,ৃ আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়। তবে কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবেন তিনি তা মেনে নিবেন। এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহিনা বেগম জানান, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি তদন্তে এসেছেন, তদন্ত রির্পোট যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে। তবে রহস্যজনক কারনে শাহিনা বেগম তদন্তের কথা স্বীকার করলেও তার নামটি বলতে রাজি হননি।