অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

লালমনিরহাটের মুগ্ধতা ছড়িয়ে ফুটেছে ভাটিফুল

নিজস্ব সংবাদদাতা
লালমনিরহাটের প্রকৃতিতে অত্যন্ত অনাদর আর অবহেলায় জন্মে এবং বেড়ে ওঠা ভাটি বা বনজুঁই ফুল সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। ঋতুরাজ বসন্তের শুরু থেকেই ঝোপ-ঝাড়ে, বনে-জঙ্গলে, সড়ক ও গ্রামীণ মেঠোপথের দু’ধারে, নদী-খাল-দিঘি ও জলাশয়ের পাড়ে, গ্রামীণ পরিবেশের আনাচে-কানাচে, এখানে-সেখানে থোকায় থোকায় নিজের সুন্দর রূপ ছড়িয়ে সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করতে থাকে ভাটি ফুল। এ ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ফুলপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীসহ সব বয়সী মানুষ বিমুগ্ধ হচ্ছেন।

 

সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট-মোগলহাট সড়কের পুটিমারীর দোলা, ফুলগাছ-কোদালখাতাসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ভাটিফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে।

 

স্থানভেদে এটির নাম ভাটি ফুল, ভাটফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, ঘণ্টাকর্ণ থাকলেও লালমনিরহাট অঞ্চলে ‘ভাটি ফুল’ নামেই বহুল পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাটি পূজায় এই ফুল ব্যবহার করে থাকে।

 

এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লোরোডেনড্রাম ভিসকোসাম ভারবেনাসেই গণের এই ফুল ল্যামিয়াসেই পরিবারভুক্ত। এটি ইনফরচুনাটাম প্রজাতির এবং বাংলাদেশের আদি ফুল।

 

ভাটি ফুল দেশজ গুল্ম জাতীয় বুনোফুল। ছোট আকৃতির নরম শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট ঝোপ জাতীয় গাছে তোড়ার মতো ভাটি ফুল ফোটে। ফুলের রং সাদা। পাঁচটি পাপড়ি। প্রতিটি ফুলের অভ্যন্তরে বেগুনি রঙের ঢেউ যেন ব্রাশ দিয়ে টেনে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সাদা বেশ দীর্ঘ কয়েকটি মঞ্জরি। রাতে ভাটিফুল গন্ধ ছড়ায়।

 

ভাটিফুল ওষুধি উদ্ভিদ। এর পাতা কবিরাজরা অ্যাজমা, টিউমার, সাপের কামড়ের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা জ্বর, চর্মরোগ ও বিছার হুল ফোটানোতে এর পাতা, ফল, ফুল ও মূল ভেষজ হিসেবে ব্যবহার করেন।

 

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্রই ভাটি ফুলের কম বেশী দেখা মেলে। তবে অচাষকৃত বহু বিলুপ্ত উদ্ভিদের মতোন ভাটি ফুলও বিলুপ্তির দিকে।

 

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অনার্স উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, ভাটি ফুল ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত প্রবেশ করেছে। শীত শেষে ভাটি ফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাটি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।

লালমনিরহাটের প্রকৃতিতে অত্যন্ত অনাদর আর অবহেলায় জন্মে এবং বেড়ে ওঠা ভাটি বা বনজুঁই ফুল সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। ঋতুরাজ বসন্তের শুরু থেকেই ঝোপ-ঝাড়ে, বনে-জঙ্গলে, সড়ক ও গ্রামীণ মেঠোপথের দু’ধারে, নদী-খাল-দিঘি ও জলাশয়ের পাড়ে, গ্রামীণ পরিবেশের আনাচে-কানাচে, এখানে-সেখানে থোকায় থোকায় নিজের সুন্দর রূপ ছড়িয়ে সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করতে থাকে ভাটি ফুল। এ ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ফুলপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীসহ সব বয়সী মানুষ বিমুগ্ধ হচ্ছেন।

 

সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট-মোগলহাট সড়কের পুটিমারীর দোলা, ফুলগাছ-কোদালখাতাসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ভাটিফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে।

 

স্থানভেদে এটির নাম ভাটি ফুল, ভাটফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, ঘণ্টাকর্ণ থাকলেও লালমনিরহাট অঞ্চলে ‘ভাটি ফুল’ নামেই বহুল পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাটি পূজায় এই ফুল ব্যবহার করে থাকে।

 

এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লোরোডেনড্রাম ভিসকোসাম ভারবেনাসেই গণের এই ফুল ল্যামিয়াসেই পরিবারভুক্ত। এটি ইনফরচুনাটাম প্রজাতির এবং বাংলাদেশের আদি ফুল।

 

ভাটি ফুল দেশজ গুল্ম জাতীয় বুনোফুল। ছোট আকৃতির নরম শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট ঝোপ জাতীয় গাছে তোড়ার মতো ভাটি ফুল ফোটে। ফুলের রং সাদা। পাঁচটি পাপড়ি। প্রতিটি ফুলের অভ্যন্তরে বেগুনি রঙের ঢেউ যেন ব্রাশ দিয়ে টেনে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সাদা বেশ দীর্ঘ কয়েকটি মঞ্জরি। রাতে ভাটিফুল গন্ধ ছড়ায়।

 

ভাটিফুল ওষুধি উদ্ভিদ। এর পাতা কবিরাজরা অ্যাজমা, টিউমার, সাপের কামড়ের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা জ্বর, চর্মরোগ ও বিছার হুল ফোটানোতে এর পাতা, ফল, ফুল ও মূল ভেষজ হিসেবে ব্যবহার করেন।

 

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্রই ভাটি ফুলের কম বেশী দেখা মেলে। তবে অচাষকৃত বহু বিলুপ্ত উদ্ভিদের মতোন ভাটি ফুলও বিলুপ্তির দিকে।

 

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অনার্স উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, ভাটি ফুল ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত প্রবেশ করেছে। শীত শেষে ভাটি ফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাটি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

লালমনিরহাটের মুগ্ধতা ছড়িয়ে ফুটেছে ভাটিফুল

আপডেট টাইম : ০৭:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব সংবাদদাতা
লালমনিরহাটের প্রকৃতিতে অত্যন্ত অনাদর আর অবহেলায় জন্মে এবং বেড়ে ওঠা ভাটি বা বনজুঁই ফুল সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। ঋতুরাজ বসন্তের শুরু থেকেই ঝোপ-ঝাড়ে, বনে-জঙ্গলে, সড়ক ও গ্রামীণ মেঠোপথের দু’ধারে, নদী-খাল-দিঘি ও জলাশয়ের পাড়ে, গ্রামীণ পরিবেশের আনাচে-কানাচে, এখানে-সেখানে থোকায় থোকায় নিজের সুন্দর রূপ ছড়িয়ে সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করতে থাকে ভাটি ফুল। এ ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ফুলপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীসহ সব বয়সী মানুষ বিমুগ্ধ হচ্ছেন।

 

সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট-মোগলহাট সড়কের পুটিমারীর দোলা, ফুলগাছ-কোদালখাতাসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ভাটিফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে।

 

স্থানভেদে এটির নাম ভাটি ফুল, ভাটফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, ঘণ্টাকর্ণ থাকলেও লালমনিরহাট অঞ্চলে ‘ভাটি ফুল’ নামেই বহুল পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাটি পূজায় এই ফুল ব্যবহার করে থাকে।

 

এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লোরোডেনড্রাম ভিসকোসাম ভারবেনাসেই গণের এই ফুল ল্যামিয়াসেই পরিবারভুক্ত। এটি ইনফরচুনাটাম প্রজাতির এবং বাংলাদেশের আদি ফুল।

 

ভাটি ফুল দেশজ গুল্ম জাতীয় বুনোফুল। ছোট আকৃতির নরম শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট ঝোপ জাতীয় গাছে তোড়ার মতো ভাটি ফুল ফোটে। ফুলের রং সাদা। পাঁচটি পাপড়ি। প্রতিটি ফুলের অভ্যন্তরে বেগুনি রঙের ঢেউ যেন ব্রাশ দিয়ে টেনে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সাদা বেশ দীর্ঘ কয়েকটি মঞ্জরি। রাতে ভাটিফুল গন্ধ ছড়ায়।

 

ভাটিফুল ওষুধি উদ্ভিদ। এর পাতা কবিরাজরা অ্যাজমা, টিউমার, সাপের কামড়ের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা জ্বর, চর্মরোগ ও বিছার হুল ফোটানোতে এর পাতা, ফল, ফুল ও মূল ভেষজ হিসেবে ব্যবহার করেন।

 

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্রই ভাটি ফুলের কম বেশী দেখা মেলে। তবে অচাষকৃত বহু বিলুপ্ত উদ্ভিদের মতোন ভাটি ফুলও বিলুপ্তির দিকে।

 

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অনার্স উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, ভাটি ফুল ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত প্রবেশ করেছে। শীত শেষে ভাটি ফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাটি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।

লালমনিরহাটের প্রকৃতিতে অত্যন্ত অনাদর আর অবহেলায় জন্মে এবং বেড়ে ওঠা ভাটি বা বনজুঁই ফুল সহজেই মানুষের নজর কাড়ে। ঋতুরাজ বসন্তের শুরু থেকেই ঝোপ-ঝাড়ে, বনে-জঙ্গলে, সড়ক ও গ্রামীণ মেঠোপথের দু’ধারে, নদী-খাল-দিঘি ও জলাশয়ের পাড়ে, গ্রামীণ পরিবেশের আনাচে-কানাচে, এখানে-সেখানে থোকায় থোকায় নিজের সুন্দর রূপ ছড়িয়ে সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করতে থাকে ভাটি ফুল। এ ফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ফুলপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীসহ সব বয়সী মানুষ বিমুগ্ধ হচ্ছেন।

 

সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লালমনিরহাট-মোগলহাট সড়কের পুটিমারীর দোলা, ফুলগাছ-কোদালখাতাসহ বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামীণ প্রকৃতিতে অনাদর ও অবহেলায় বেড়ে ওঠা চিরচেনা গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ভাটিফুল তার অপরূপ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়েছে।

 

স্থানভেদে এটির নাম ভাটি ফুল, ভাটফুল, ঘেটু ফুল, ভাত ফুল, ঘণ্টাকর্ণ থাকলেও লালমনিরহাট অঞ্চলে ‘ভাটি ফুল’ নামেই বহুল পরিচিত। সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাটি পূজায় এই ফুল ব্যবহার করে থাকে।

 

এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্লোরোডেনড্রাম ভিসকোসাম ভারবেনাসেই গণের এই ফুল ল্যামিয়াসেই পরিবারভুক্ত। এটি ইনফরচুনাটাম প্রজাতির এবং বাংলাদেশের আদি ফুল।

 

ভাটি ফুল দেশজ গুল্ম জাতীয় বুনোফুল। ছোট আকৃতির নরম শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট ঝোপ জাতীয় গাছে তোড়ার মতো ভাটি ফুল ফোটে। ফুলের রং সাদা। পাঁচটি পাপড়ি। প্রতিটি ফুলের অভ্যন্তরে বেগুনি রঙের ঢেউ যেন ব্রাশ দিয়ে টেনে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে সাদা বেশ দীর্ঘ কয়েকটি মঞ্জরি। রাতে ভাটিফুল গন্ধ ছড়ায়।

 

ভাটিফুল ওষুধি উদ্ভিদ। এর পাতা কবিরাজরা অ্যাজমা, টিউমার, সাপের কামড়ের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের মানুষেরা জ্বর, চর্মরোগ ও বিছার হুল ফোটানোতে এর পাতা, ফল, ফুল ও মূল ভেষজ হিসেবে ব্যবহার করেন।

 

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্রই ভাটি ফুলের কম বেশী দেখা মেলে। তবে অচাষকৃত বহু বিলুপ্ত উদ্ভিদের মতোন ভাটি ফুলও বিলুপ্তির দিকে।

 

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের অনার্স উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, ভাটি ফুল ফুটলেই নিশ্চিত হওয়া যায় প্রকৃতিতে বসন্ত প্রবেশ করেছে। শীত শেষে ভাটি ফুল ফুটলে প্রকৃতির চেহারায় সতেজতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কলেজে আসা-যাওয়ার পথে ভাটি ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করি। গ্রামীণ পরিবেশে এ ফুলের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর।